বুধবার   ১৬ অক্টোবর ২০১৯   আশ্বিন ৩০ ১৪২৬   ১৬ সফর ১৪৪১

দক্ষিণ সস্তাপুরের ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটি মরণ ফাঁদে পরিনত

প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০১৯  

ফতুল্লা (যুগের চিন্তা ২৪) : ফতুল্লা দক্ষিণ সস্তাপুর বাইতুল আকসা জামে মসজিদ সংলগ্ন মসজিদ রোড সড়কের ব্রিজটি মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। ব্রিজের ওপরের অংশের ঢালাই উঠে উঁচু নিচু গর্তে পরিনত হয়েছে। এছাড়াও পলস্টারের ধ্বসে দুই পাশের রেলিংয়ের রড বেরিয়ে গেছে।


এই ঝুঁকি নিয়ে এই ব্রিজটি দিয়ে কয়েক হাজার মানুষ চলাচল করছে। এছাড়াও এবলুম, ওয়াকফিল্ট, স্যামসন, ঢাকা টেক্সাইটসহ কয়েকটি ফ্যাক্টরীর মালবাহী যানবাহন চলাচলের একমাএ মাধ্যম। আর এই যানবাহন চলাচলের কারনে যেকোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা। তাই ঝুঁকিপূর্ণ এই ব্রিজটি ভেঙে নতুন করে ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা। 


সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ব্রিজটির রেলিং ও ওপরের অংশের ঢালাই উঠে রড বের হয়ে গেছে। এমনকি পিলারগুলোও দুর্বল হয়ে পড়েছে। ব্রিজের মাঝখানে ছোট বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। 


জানা গেছে, ৯০'র দশকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনে উপজেলার দক্ষিণ সস্তাপুর খালের উপর ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। এতে সহজ হয় ওই অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা।

 

এর আগে খালটির উপরে ছিলো কাঠের ব্রিজটি। পরে কাঠের ব্রিজ ভেঙ্গে যাওয়ায় নতুন করে ব্রিজ নির্মাণে প্রতিদিন এই ব্রিজটি দিয়ে ঢাকা-নারায়নগঞ্জ যাতায়াত করে ওই এলাকার বাসিন্দারা। চলাচল করতে শুরু করে রিকশা, মটরযান ও পণ্যবাহী যানবাহন।


দক্ষিণ সস্তাপুর এলাকার বাসিন্দা শাহীন আলম বলেন, এই রোডটি ঢাকা-নারায়নগঞ্জ যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। কিস্তু যখন এই রোডটি দিয়ে যাতায়াত করি সেসময় ব্রিজটি কাঁপাকাপি করে। ভয়ে থাকি, কখন যেন ব্রিজটি ভেঙে যায়। 


স্থানীয় বাসিন্দা টগর, দেলোয়ার, কালামসহ একাধিক এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, ব্রিজটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এই ব্রিজটি বর্তমানে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।

 

এসময় তারা অভিযোগ করে বলেন, যেখানে একটি ব্রিজের মেয়াদকাল একশ বছর  সেখানে ব্রিজটি মাএ দুই যুগের একটু বেশী সময় ধরে নির্মাণ হয়েছে। এই অল্পদিনের ব্যবধানে ব্রিজটি অকেজো হয়ে গেছে। তাই এলাকাবাসির দাবী নতুন করে একটি ব্রিজ নির্মাণ করা হোক। 


এবিষয়ে জানতে চাইলে ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আলী আকবর জানান এই ব্রিজটি নির্মানের দায়িত্ব স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি) অধীনে। তারা এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারেন।


ব্রিজটির বর্তমান বেহাল অবস্থা ও সংস্কারের বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি) কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে ফোনটি রিসিভ করেননি। 
 

এই বিভাগের আরো খবর