শুক্রবার   ২২ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৮ ১৪২৬   ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

ছোটবেলায় ঈদে অসাধারণ অনুভূতি ছিলো : নাফিজ আশরাফ

প্রকাশিত: ৩ জুন ২০১৯  

স্টাফ রির্পোটার (যুগের চিন্তা ২৪) : আবারো বছর ঘুরে চলে এলো ঈদ। হাতে গোনা আর মাত্র কয়েকটি দিন। দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার পর শাওয়ালে বাঁকা চাঁদ নিয়ে আনন্দ উৎসবের মধ্যে দিয়ে  মেতে উঠবে সারা বিশ্বের মুসলিমরা। ছোট থেকে বুড়ো সকলে মাঝে এখন ঈদের আনন্দ। তবে সময়ের ক্রমাবর্তনে আগের ঈদ উদযাপনের সাথে বর্তমানের ঈদ উদযাপনে তুমুল তফাৎ। আগে বাবা-মায়ের কাছ থেকে পোশাক পাওয়ার আনন্দ ছিলো এখন দেয়ার মধ্যে আনন্দ খুঁজি  যুগের চিন্তা ২৪’র সাথে ঈদ আড্ডায় ঈদ আনন্দের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে এমনটাই বলছিলেন নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক  ও কবি নাফিজ আশরাফ।

 

ছোটবেলার ঈদ উদযাপন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঈদ মানেই আনন্দ। ছোটবেলায় নতুন পোশাক,নতুন জুতা পাওয়ার যে আশাটা তা নিয়ে এক অসাধারণ অনুভূতি ছিলো।ছোটবেলার ঈদ মানেই ছিলো নতুন জামা প্যান্ট পড়ে নামাজ পড়তে যাওয়া নামাজ শেষে পরস্পরের সাথে কোলাকুলি করা। তারপর বাড়িতে এসে মায়ের হাতের তৈরী ফিরনী, সেমাই বা পায়েস  খেতাম। তারপর একে একে আত্মীয় স্বজনদের বাড়ি বাড়িতে যেতাম। বন্ধু,চাচাতো ভাইবোনদের সাথে খাওয়া-দাওয়া হৈ চৈ তো ছিলোই। 

 

ঈদে ছোটবেলার সালামি নিয়ে নাফিজ আশরাফ জানান, ছোটবেলায় সালামি ব্যাপারটা সেভাবে কাজ করতো না। তাছাড়া তখন সেভাবে এখনকার মত সালামির প্রচলনটাও ছিলো না। তবে বাবা দিত। একটা করে ১০ টাকার নোট। আর তখন তো ১০ টাকা মানেই অনেক কিছু। আত্মীয় স্বজনদের বাসায় গেলেও দুই টাকা এক টাকা করে পেতাম। এমনি করেই ৬০-৭০ টাকা করে হয়ে যেত। পরে বন্ধু-বান্ধবদের সাথে বেরিয়ে পড়তাম। তখন ঈদ উদযাপনের বিষয়গুলো ছিলো অন্যরকম। আগে নেয়ার মধ্যে আনন্দ ছিলো এখন দেয়ার মধ্যে দিয়ে সেই আনন্দ খুঁজে পাই।

 

ঈদের পছন্দের খাবার প্রসঙ্গে নাফিজ আশরাফ বলেন, তখন এখনকার মত এত ধরনের খাবারের আইটেম ছিলো না। খাবারের মধ্যে অন্যতম ছিলো পোলাও,খিচুড়ি। তবে আমার বাসায়  পোলাওটাই ঈদের দিনে করা হত। তাছাড়া ফিরনী পায়েস বা সেমাই তো থাকতোই। যার স্বাদ এখনও মনে পড়ে। 

 

ঈদের দিনে ব্যস্ততা নিয়ে জানতে চাইলে নাফিজ আশরাফ জানান, ঈদের দিনের ব্যস্ততা তেমন নেই । ঈদের দিন আমি তেমন কোথাও বের হওয়ারও পরিকল্পনাও নেই। শুধু পরিবারকে সময় দেব। তবে বিকেলের দিকে বন্ধ ও সহকর্মীদের সাথে আড্ডা দিতে বের হব। সেটা প্রেসক্লাবে হতে পারে, খাজা মার্কেটের সামনে আমাদের একটা আড্ডার জায়গা আছে সেখানেও আড্ডা দিতে পারি। আবার ফতুল্লায় আমাদের বন্ধু আছে সেখানেও আড্ডা দেয়া হতে পারে।

 

ঈদ আড্ডার শেষ পর্যায়ে নাফিজ আশরাফ ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তাঁর পরিবার,আত্মীয়-স্বজন,সহকর্মী ও নারায়ণগঞ্জবাসীকে উদ্দেশ্য করে জানান, সবার ঈদ ভালো কাটুক। আনন্দে এবং সুস্থভাবে কাটুক। সকলে নিরাপদে থাকুন।
 

এই বিভাগের আরো খবর