শুক্রবার   ২২ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৭ ১৪২৬   ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

সবজির বাজারে স্বস্তি ফিরলেও, কাঁচা মরিচ এখনো চড়া

প্রকাশিত: ২৮ জুলাই ২০১৮  

স্টাফ রিপোর্টার (যুগের চিন্তা ২৪) : চলতি মাসের শুরুতে হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়া কাঁচা মরিচের দাম এখনও চড়া। নগরীতে বাজারভেদে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় কেজিতে। তবে বেশিরভাগ সবজিই ৪০/৫০ টাকা মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। শনিবার দ্বীগুবাবু বাজার, মাসদাইর বাজার, বৌ বাজারসহ  বিভিন্ন  বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বললে তারা জানায়, আড়তে কাঁচা মরিচের সরবরাহ কম। আমদানী করা যে মরিচ তাও বাজারে ছাড়া হচ্ছে না। তাই দুই সপ্তাহ ধরে কাঁচা মরিচের দাম বেশি। 

ব্যবসায়ীরা জানান, তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ। গত কয়েকদিন ধরে যে হারে বৃষ্টি হচ্ছে তাতে মরিচের দাম কমার সম্ভাবনা নেই। বরং সামনে দাম আরও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে বাড়তে পারে অন্যান্য সবজির দামও।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এলাকা ও মানভেদে কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি। আগের সপ্তাহেও ব্যবসায়ীরা একই দামেই বিক্রি করেছেন বলে জানান তারা।

তবে তারা বলছেন, বাজারে এখন কাঁচা মরিচের সরবরাহ তুলনামূলক কম। যে হারে বৃষ্টি হচ্ছে তাতে মরিচের সরবরাহ আরও কমে যেতে পারে। কারণ, বৃষ্টির পানিতে খেতে কাঁচা মরিচ নষ্ট হয়ে যায়। গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে অনেক চাষির মরিচ ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। তাই সামনে দাম তো কমবেই না বরং আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এছাড়া বাজারে পটল, ঝিঙা, ধুন্দল, চিচিংগা, বেগুন, কাকরল, ঢেঁড়স, মিষ্টি কৃমড়া, পেঁপে, করলাসহ প্রায় সব সবজিই ভরপুর। এসব সবজি স্বাভাবিক মুল্যে বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজার ভেদে সবজির দামের পার্থক্যও রয়েছে। 

বেশিরভাগ বাজারে চিচিংগা, পটল, ঝিঙা, ধুনদল, কাকরল, করলা, পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি। 

সবজির মধ্যে বাজারে এখন সব থেকে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে পাকা টমেটো এবং বরবটি। পাকা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। গত সপ্তাহে টমেটোর দাম ছিল ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি। সে হিসাবে বাজারে পাকা টমেটোর দাম কিছুটা বেড়েছে।

ব্যবসায়ী মো. মিজানুর রহমান বলেন, বাজারে এখন সব সবজির সরবরাহ ভরপুর। যে কারণে দাম কিছুটা কম। তবে সামনে সবজির দাম বাড়তে পারে। কারণ, বৃষ্টি হলে খেতে সবজি নষ্ট হয়ে যায়। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে ইতিমধ্যে অনেক সবজি খেতে নষ্ট হয়েছে। ফলে সামনে বাজারে সবজির সরবরাহ কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
 

এই বিভাগের আরো খবর