Logo
Logo
×

মতামত

আলজাজিরা এক্সপ্লেইনার

তারেক রহমানের ভারত সফরে অনিশ্চয়তা, টানাপোড়েনে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক

Icon

যশরাজ শর্মা

প্রকাশ: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০২:১৫ পিএম

তারেক রহমানের ভারত সফরে অনিশ্চয়তা, টানাপোড়েনে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফর স্থগিত হয়ে গেছে। এর মধ্য দিয়ে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে তৈরি হওয়া টানাপোড়েন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ওই গণঅভ্যুত্থানের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান।

ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রয়াত খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করে আসছেন। তবে ভারতে নির্বাসনে থাকা শেখ হাসিনার একটি সংবাদ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।

ঢাকা বলছে, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার ওই সংবাদ সম্মেলনের কারণে দুই দেশের সম্পর্কের পরিবেশ আরও খারাপ হয়েছে। তাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের জন্য আগে ‘অনুকূল পরিবেশ’ তৈরি করা প্রয়োজন।

এখন পর্যন্ত তারেক রহমানের ভারত সফর অনিশ্চিত। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সম্ভাব্য সমাধান খুঁজতে দুই দেশের কর্মকর্তারা কয়েক সপ্তাহ ধরে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।

কী হয়েছে তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে?

আগামী মাসে ভারতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনের আগে চলতি মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পৃথক সফরে ভারত যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছিল নয়াদিল্লি। ব্রিকস হলো বিশ্বের কয়েকটি প্রধান উদীয়মান অর্থনীতির জোট, যার বর্তমান সভাপতির দায়িত্বে রয়েছে ভারত।

তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের মন্ত্রী ও কূটনীতিকদের মধ্যে বেশ কয়েক দফা যোগাযোগ হয়েছে। ভারতও ঢাকায় নতুন হাইকমিশনার হিসেবে দিনেশ ত্রিবেদীকে নিয়োগ দিয়েছে। তিনি দেশটির সাবেক মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) একজন সদস্য। গুরুত্বপূর্ণ এই পদে এমন রাজনৈতিক নিয়োগকে বিরল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গত মঙ্গলবার ত্রিবেদী বাংলাদেশের সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভারত বাংলাদেশকে ‘অতীত ভুলে যেতে’ বলছে না। তার বক্তব্যে স্পষ্টতই ভারতে শেখ হাসিনার অবস্থানের প্রসঙ্গ উঠে আসে।

তিনি বলেন, অতীতকে মনে রেখে অতীতের মতপার্থক্যগুলো সমাধান করতে হবে। তবে এরপর সামনে এগিয়ে যেতে হবে, স্থবির হয়ে থাকা যাবে না।

ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ত্রিবেদী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চান তারেক রহমানের ভারত সফরটি স্মরণীয় হয়ে থাকুক।

তবে এরই মধ্যে শেখ হাসিনাকে ঘিরে সেই সফরের পরিকল্পনা বাধাগ্রস্ত হয়। গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে ভার্চুয়ালি এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ সরকার এতে ক্ষুব্ধ হয়।

ভারত অবশ্য জানায়, ওই অনুষ্ঠানের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। কিন্তু এতে ঢাকার অসন্তোষ দূর হয়নি।

দুই দেশ কী বলছে?

তারেক রহমানের সফর নিয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লি—দুই পক্ষই এখন পর্যন্ত খুব বেশি কিছু প্রকাশ্যে বলছে না।

তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমার বলার মতো কিছু নেই।’

শনিবার এক অনুষ্ঠানে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ‘পারস্পরিক স্বার্থের পরীক্ষায়’ উত্তীর্ণ হতে হবে।

তিনি বলেন, এই সম্পর্ক বাংলাদেশের জন্য যেমন কার্যকর হতে হবে, তেমনি ভারতের জন্যও কার্যকর হতে হবে। দুই দেশকেই একে অপরের স্বার্থকে যথাযথভাবে স্বীকার ও সম্মান করতে হবে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির একটি সংবাদ সংস্থাকে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর আয়োজনের বিষয়ে ঢাকার কোনো তাড়াহুড়া নেই।

তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ভারত ঠিক কী ধরনের সম্পর্ক চায়, তা এখনো বোঝার চেষ্টা করছে ঢাকা।

হুমায়ুন কবির আরও বলেন, প্রতিবেশী দেশকে বাংলাদেশের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের বাস্তবতা যথাযথভাবে বুঝতে হবে। ওই আন্দোলনে দেড় হাজারের বেশি মানুষের আত্মত্যাগের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

এর সঙ্গে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বাংলাদেশের অনুরোধের প্রসঙ্গও উঠে আসে।

চলতি মাসের শুরুতে নয়াদিল্লি জানিয়েছিল, প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বাংলাদেশের অনুরোধ তারা বিবেচনা করছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে। তবে রাজনৈতিক মামলার ক্ষেত্রে সেখানে ব্যতিক্রমের সুযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে টানাপোড়েনের কারণ কী?

শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোকে বড় ইস্যু হিসেবে দেখছে ঢাকা। শেখ হাসিনার সরকারকে ভারতের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে দেখা হতো। তার শাসনের প্রতি নয়াদিল্লির সমর্থনও বাংলাদেশের মানুষের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি করেছিল।

বাংলাদেশ শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর দাবি জানিয়ে আসছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে তাকে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। কিছু বিশ্লেষক মনে করেন, নয়াদিল্লি এই বিষয়টিকে কূটনৈতিক দর-কষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।

শেখ হাসিনাকে ভারতে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে তার রাজনৈতিক বক্তব্যকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের মাটিকে ব্যবহার করে হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছে ঢাকা।

গত ৫ আগস্টের সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরে আসার কথা বলেছিলেন।

গত ১৬ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, শেখ হাসিনা ও অন্যান্য পলাতক আসামিকে দ্রুত ফেরত পাঠানোর জন্য ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় আরও জানায়, প্রতিবেশীসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে বাংলাদেশ ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করবে। এই সম্পর্ক হবে সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে।

অন্যদিকে, কয়েক দশকের টানাপোড়েনের পর বাংলাদেশ পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হচ্ছে—এ বিষয়টিকে নয়াদিল্লি বড় কূটনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখছে। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে ভারত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

ঢাকার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শাকিল আহমেদ বলেন, অনেক সময় অভ্যন্তরীণ রাজনীতি পররাষ্ট্রনীতিতেও প্রভাব ফেলে।

তার মতে, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের ক্ষেত্রে দুই দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, বিশেষ করে ঢাকার রাজনীতি, বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ চায় ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হোক আত্মমর্যাদা ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে।

শাকিল আহমেদ আরও বলেন, তারেক রহমানের সরকার যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়িয়ে পররাষ্ট্রনীতিতে বৈচিত্র্য আনছে।

তার ভাষায়, আগে নয়াদিল্লি বাংলাদেশকে ভারতের পররাষ্ট্রনীতির অনুসারী দেশগুলোর একটি হিসেবে দেখত। এখন আর সেই পরিস্থিতি নেই। শেখ হাসিনা ভারতের সঙ্গে পররাষ্ট্রনীতিতে অনেকটা ‘খোলা ছাড়পত্র’ দিয়েছিলেন, যা এখন আর হচ্ছে না।

এদিকে ভারতের হিন্দুত্ববাদী সরকারের বাংলাদেশ সীমান্তে ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তে বেড়া নির্মাণের উদ্যোগও দুই দেশের সম্পর্কে উত্তেজনা বাড়িয়েছে। ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের বাংলাদেশবিরোধী বক্তব্যও ঢাকার অসন্তোষ আরও বাড়িয়েছে।

ভারত যাদের অনিবন্ধিত বাংলাদেশি অভিবাসী বলে দাবি করছে, তাদেরও সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। তবে ঢাকা অভিযোগ করেছে, কূটনৈতিক যাচাই-বাছাই ছাড়াই ভারত বেআইনিভাবে মানুষকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠাচ্ছে।

সামনে কী অপেক্ষা করছে?

দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক অধ্যাপক সঞ্জয় ভরদ্বাজ আল জাজিরাকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথম ভারত সফর বিলম্বিত করে মূলত দেশের জনগণের মনোভাবকে গুরুত্ব দিচ্ছেন।

শেখ হাসিনার বিষয়টিকে রাজনৈতিক নিপীড়নের ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেন ভরদ্বাজ। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আগের সরকারও বিরোধীদের ওপর দমন-পীড়ন চালিয়েছিল।

তারেক রহমানও ১৭ বছরের বেশি সময় লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটিয়েছেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকা পুরো সময়ই তিনি যুক্তরাজ্যে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক ফৌজদারি মামলা করা হয়েছিল। অর্থপাচারের অভিযোগে এবং শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি মামলায় তাকে অনুপস্থিতিতে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

ভরদ্বাজ বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে উন্নয়ন অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে ভারত ইতিবাচক এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতেও তাদের কোনো অনীহা নেই। তবে তার মতে, তারেক রহমান রাজনীতিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন নিয়ে যথেষ্ট ভাবছেন না।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি অত্যন্ত বিতর্কিত। তবে দুই দেশের মধ্যে কার্যকর ও ফলপ্রসূ সম্পর্ক বজায় রাখতে হলে উভয় রাজধানীকেই এই ইস্যুর বাইরে গিয়ে সামনে এগোতে হবে।

ভারতের ওপি জিন্দাল গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক অধ্যাপক শ্রীধারা দত্ত বলেন, দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কোনো বিকল্প নেই।

তার মতে, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ও ভারত একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে পারে না। শুধু সময়ের সঙ্গে সম্পর্কের তিক্ততা দূর হবে—এমনটাও ভাবার সুযোগ নেই।

তিনি প্রশ্ন করেন, যখন দুই দেশের মধ্যে কোনো সংলাপ ও যোগাযোগ নেই, তখন পরিস্থিতির ওপর কীভাবে নিয়ন্ত্রণ রাখা সম্ভব?

শ্রীধারা দত্ত বলেন, শুরুতে দুই দেশের মধ্যে যে উষ্ণতা তৈরি হয়েছিল, পরে উভয় দেশের জাতীয়তাবাদী বক্তব্য ও রাজনৈতিক উত্তেজনায় তা অনেকটাই কমে গেছে।

এর উদাহরণ হিসেবে তিনি গত বছর তারেক রহমানের মা খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর তার শেষকৃত্যে অংশ নিতে এস জয়শঙ্করের নেতৃত্বে ভারতীয় প্রতিনিধিদলের ঢাকা সফরের কথা উল্লেখ করেন।

তার মতে, শেখ হাসিনার সময়কার মতো বাংলাদেশের নতুন সরকার ভারতের সঙ্গে একই ধরনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখবে—এমন প্রত্যাশা থেকে নয়াদিল্লিকে বেরিয়ে আসতে হবে।

তবে এতে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার পথে বাধা থাকা উচিত নয় বলেও মনে করেন তিনি।

শ্রীধারা দত্ত বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত প্রতিবেশী দেশ। তাই নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা সম্পর্কই ভবিষ্যতে দুই দেশকে এগিয়ে নিতে পারে।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন