Logo
Logo
×

মতামত

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বড় পদক্ষেপে অমিত শাহ

Icon

জয়ন্ত ঘোষাল

প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ০৮:৩৫ পিএম

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বড় পদক্ষেপে অমিত শাহ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিজয় এবং দলটির ভাষায় ডাবল ইঞ্জিন সরকার প্রতিষ্ঠার পর পূর্ব ভারতের সবচেয়ে সংবেদনশীল ও কৌশলগত ইস্যুগুলোর একটি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত নিয়ে নতুন করে তৎপরতা শুরু হয়েছে।

বছরের পর বছর ধরে সীমান্ত নিরাপত্তা, অনুপ্রবেশ, অবৈধ অভিবাসন, চোরাচালান এবং সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণে বিলম্ব রাজনৈতিক বিতর্কের বিষয় হয়ে থাকলেও এবার বিজেপি নেতৃত্ব বলছে, শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, বাস্তব প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার সময় এসেছে।

দলীয় সূত্রের দাবি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন যে সীমান্ত সমস্যা প্রতীকী ঘোষণা বা প্রচারণামূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে নয়, বরং বাস্তবসম্মত ও কার্যকর উপায়ে মোকাবিলা করতে হবে। তিনি জোর দিয়েছেন যেন কোনো অর্ধসমাপ্ত অভিযান শুধু প্রচারের জন্য পরিচালিত না হয়। প্রতিটি পদক্ষেপ হতে হবে আইনগতভাবে টেকসই, কূটনৈতিকভাবে সতর্ক এবং প্রশাসনিকভাবে কার্যকর।

ইতোমধ্যে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশ রোধে একটি বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছেন। এবার মূল গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে প্রকৃত অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত করার ওপর, যাতে তড়িঘড়ি করে কাউকে পুশব্যাক করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া না হয়।

সূত্র জানায়, অমিত শাহ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন এমন কোনো পদক্ষেপ না নেওয়া হয় যা ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্ককে অপ্রয়োজনীয়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। অতীতে যাচাই-বাছাই ছাড়াই সন্দেহভাজন অনুপ্রবেশকারীদের সীমান্ত পার করে দেওয়ার ঘটনায় ঢাকা তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল, যার ফলে দুই দেশের সম্পর্কে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল।

তাই এবার কৌশলে পরিবর্তন আনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার চায়, যাদের অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হবে তাদের সঠিকভাবে নথিভুক্ত করে সরকারি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হোক। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিতর্ক এড়িয়ে সীমান্ত ব্যবস্থাপনাকে আরও সুসংগঠিত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তাদের মতে, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা কেবল আইনশৃঙ্খলার বিষয় নয়; এটি মানবিক, ভূরাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জও।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের অভিজ্ঞতাও এ বাস্তবতাকে সামনে নিয়ে এসেছে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে মেক্সিকো সীমান্ত পুরোপুরি সিল করার প্রতিশ্রুতি দিলেও কঠোর পদক্ষেপের পরও অবৈধ অভিবাসন বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ ও ঝুঁকিপূর্ণ আন্তর্জাতিক সীমান্ত পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা কতটা কঠিন, তা বোঝাতে এই উদাহরণ এখন ভারতের নীতিনির্ধারণী পর্যায়েও আলোচিত হচ্ছে।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ অংশ, আরও জটিল। সীমান্তের বড় অংশজুড়ে রয়েছে জনবসতিপূর্ণ গ্রাম, কৃষিজমি, নদীভাঙন এলাকা, চরাঞ্চল, বনভূমি এবং দুর্গম ভূখণ্ড। অনেক স্থানে আন্তর্জাতিক সীমারেখা বা জিরো লাইন গ্রামের ভেতর দিয়েই চলে গেছে, যেখানে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মানুষ বসবাস করছে।

ভারত সরকার এখন পশ্চিমবঙ্গজুড়ে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ প্রকল্প দ্রুত এগিয়ে নিচ্ছে। এ জন্য যেসব জমি অধিগ্রহণ করা হবে, সেসব জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ প্যাকেজও প্রস্তুত করা হচ্ছে। তবে কর্মকর্তারা স্বীকার করছেন, পুরো সীমান্তে বেড়া নির্মাণ সহজ কাজ নয়।

সরকারের ধারণা, কেবল প্রশাসনিক শক্তি প্রয়োগ করে এ কাজ সফল হবে না। সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষদের আস্থায় নিতে হবে। কারণ বেড়া নির্মাণের ফলে কৃষকদের জমিতে যাতায়াত, দৈনন্দিন চলাচল এবং জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

মে ২০২৬ পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্তের দৈর্ঘ্য ২ হাজার ২১৬ দশমিক ৭ কিলোমিটার। এর মধ্যে:

  • প্রায় ১ হাজার ৬৪৭ দশমিক ৬৯৬ কিলোমিটার এলাকায় ইতোমধ্যে বেড়া নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে।
  • প্রায় ৫৬৯ কিলোমিটার এখনও অরক্ষিত।
  • প্রায় ১১২ দশমিক ৭৮০ কিলোমিটার নদী ও জলাভূমি হওয়ায় সেখানে প্রচলিত পদ্ধতিতে বেড়া নির্মাণ সম্ভব নয়।
  • আরও ৪৫৬ দশমিক ২২৪ কিলোমিটার এলাকায় প্রযুক্তিগতভাবে বেড়া নির্মাণ সম্ভব হলেও কাজ এখনও শেষ হয়নি।

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির নির্বাচনী জয়ের পর নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সীমান্তে বেড়া নির্মাণকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে নির্ধারণ করেছেন বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি সবচেয়ে বড় অগ্রগতি হিসেবে প্রায় ৬০০ একর জমি বিএসএফের কাছে হস্তান্তরের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শিলিগুড়ির ফাঁসিদেওয়া এলাকায় ইতোমধ্যে ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ অংশ বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং ২১-২২ মে থেকে সেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে বেড়া নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।

রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ভূমি দপ্তরকে বাকি জমি হস্তান্তরের কাজ ৪৫ দিনের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে।

শুধু বেড়া নির্মাণ নয়, নতুন সীমান্ত ফাঁড়ি (বিওপি) এবং বিএসএফের অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণের জন্যও জমি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে রাজ্য সরকার।

এটি একটি বড় নীতিগত পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ অতীতে জমি অধিগ্রহণ এবং প্রশাসনিক জটিলতাই ছিল সবচেয়ে বড় বাধা।

কলকাতা হাইকোর্ট পূর্ববর্তী তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে জমি হস্তান্তরে বিলম্ব নিয়ে একাধিকবার অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল। ২০২৬ সালের ২৭ জানুয়ারি আদালত ১২৭ কিলোমিটার অধিগৃহীত ও ক্ষতিপূরণ পরিশোধ করা জমি ৩১ মার্চের মধ্যে বিএসএফের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেয়। কিন্তু ২২ এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র ৮ কিলোমিটার জমি হস্তান্তর করা হয়েছিল বলে জানা যায়। নির্দেশ অমান্য করায় আদালত এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আর্থিক জরিমানাও আরোপ করেছিল।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আগস্ট ২০২৫-এর তথ্য অনুযায়ী:

  • ৭৭ দশমিক ৯৩৫ কিলোমিটার জমি বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল।
  • ১৪৮ দশমিক ৯৭১ কিলোমিটার এলাকায় অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াই শুরু হয়নি।
  • ২২৯ দশমিক ৩১৮ কিলোমিটার জমির কাজ চলমান ছিল।
  • ১৮১ দশমিক ৬৩৫ কিলোমিটারের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হলেও জমির দখল হস্তান্তর হয়নি।

নতুন প্রশাসন এখন দাবি করছে, দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে কাজ এগোতে শুরু করেছে।

ফাঁসিদেওয়ার মতো সীমান্তবর্তী এলাকাগুলো থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই স্বস্তি প্রকাশ করছেন। তাদের অভিযোগ ছিল, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় গরু পাচার, চোরাচালান ও সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের কারণে আতঙ্কে থাকতে হতো। কেউ কেউ দাবি করেছেন, নিরাপত্তাহীনতার কারণে গবাদিপশু পালনও কঠিন হয়ে পড়েছিল।

বিজেপি সরকার এখন ডিটেক্ট, ডিলিট অ্যান্ড ডিপোর্ট নীতিতে এগোচ্ছে। এর আওতায় পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন ও বিএসএফ একসঙ্গে কাজ করে সন্দেহভাজন অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত করবে।

বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে মালদা, মুর্শিদাবাদ ও উত্তর ২৪ পরগনার মতো সংবেদনশীল জেলাগুলোতে, যেগুলো দীর্ঘদিন ধরেই অনুপ্রবেশের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে পরিচিত।

তবে এত কিছুর পরও বড় চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে সতর্ক করে বলেছেন, স্বল্প সময়ে পুরো সীমান্তে বেড়া নির্মাণ বাস্তবসম্মত নয়। জমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন, আইনি জটিলতা, পরিবেশগত সমস্যা এবং দুর্গম ভূখণ্ড পুরো প্রক্রিয়াকে ধীর করে দিচ্ছে।

সবচেয়ে বড় বাধাগুলোর একটি হলো ১৯৭৫ সালের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত চুক্তির তথাকথিত ১৫০ গজ নীতি। এই নীতিমতে, উভয় দেশের সম্মতি ছাড়া জিরো লাইনের ১৫০ গজের মধ্যে স্থায়ী প্রতিরক্ষা কাঠামো নির্মাণ করা যায় না।

ভারত সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়াকে সামরিক স্থাপনা হিসেবে বিবেচনা না করলেও বাংলাদেশ বহু ক্ষেত্রে সীমান্তের খুব কাছে বেড়া নির্মাণের বিরোধিতা করেছে। ফলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভারতের ভেতরে ১৫০ গজ দূরে বেড়া নির্মাণ করা হয়।

এর ফলে সৃষ্টি হয়েছে তথাকথিত নো ম্যানস ল্যান্ড।

অনেক সীমান্ত এলাকায় গ্রামের বাড়ি, স্কুল, মন্দির, বাজার ও কৃষিজমি কাঁটাতারের বাইরে পড়ে গেছে। ফলে ভারতীয় ভূখণ্ডের ভেতরে থেকেও অনেক মানুষ কার্যত বেড়ার বাইরে বসবাস করছেন।

এতে নিরাপত্তা ও মানবিক—উভয় ধরনের সমস্যাই তৈরি হচ্ছে।

বেড়ার বাইরে থাকা মানুষ চোরাচালান, চাঁদাবাজি ও সীমান্ত অপরাধের ঝুঁকিতে থাকেন। কৃষকদেরও নিজ জমিতে যেতে বিএসএফের সময়সীমা ও বিধিনিষেধ মেনে চলতে হয়।

তাই স্থানীয়দের অনেকে দাবি তুলেছেন, সীমান্তের জিরো লাইনের কাছাকাছি বা সরাসরি সীমারেখাতেই বেড়া নির্মাণ করা হোক।

তবে বাংলাদেশ এখনো বহু সেক্টরে আপত্তি জানিয়ে আসছে এবং প্রায় ৯০টি বিতর্কিত এলাকায় যৌথ পরিদর্শনের দাবি তুলেছে।

এদিকে প্রায় ১৭৫ কিলোমিটার সীমান্ত নদী ও জলাভূমি হওয়ায় সেখানে প্রচলিত পদ্ধতিতে বেড়া নির্মাণ প্রায় অসম্ভব। ইছামতি ও পদ্মার মতো নদীতে চর জেগে ওঠা ও ভাঙনের কারণে সীমান্তের অবস্থানও পরিবর্তিত হয়।

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারত এখন স্মার্ট ফেন্সিং প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াচ্ছে। এর আওতায় ক্যামেরা, থার্মাল সেন্সর, লেজার ব্যবস্থা, ড্রোন ও রাডার নজরদারি ব্যবহৃত হচ্ছে।

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতে পূর্ব ভারতের সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় প্রচলিত কাঁটাতারের পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারিই মূল ভরসা হয়ে উঠতে পারে।

তবে কর্মকর্তারা স্বীকার করছেন, শুধু প্রযুক্তি দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।

কারণ পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত নিরাপত্তা রাজনীতি, কূটনীতি, অর্থনীতি, অভিবাসন, জনসংখ্যাগত পরিবর্তন এবং স্থানীয় সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। তাই কেন্দ্র সরকার এখন আক্রমণাত্মক রাজনৈতিক বক্তব্যের বদলে ধাপে ধাপে বাস্তবভিত্তিক কৌশলে এগোতে চাইছে।

তবুও রাজনৈতিকভাবে বিজেপি বর্তমান পরিস্থিতিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে।

দলটির ধারণা, যদি ডাবল ইঞ্জিন সরকার দৃশ্যমানভাবে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করতে, অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং বহুদিনের অসমাপ্ত বেড়া নির্মাণ প্রকল্প শেষ করতে সক্ষম হয়, তবে তা আগামী বছরগুলোতে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির রাজনৈতিক অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে।

২০২৬ সালের মে মাসের শেষ পর্যন্ত সীমান্তে বেড়া নির্মাণের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলেও প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার এলাকা এখনও অরক্ষিত। পাশাপাশি আইনি, ভৌগোলিক ও কূটনৈতিক জটিলতা রয়ে গেছে। ফলে সরকারঘনিষ্ঠ মহলও মনে করছে, পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে রাজনৈতিক সময়সীমার চেয়ে অনেক বেশি সময় লাগবে।

 সূত্র: এনডিটিভি

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন