সৌদি আরবের দুটি বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে রিয়াদ। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দেশটির জেনারেল অথরিটি অফ সিভিল এভিয়েশন এক বিবৃতিতে জানায়, আগের দিন দক্ষিণাঞ্চলের দুটি বিমানবন্দরে চালানো হামলায় তিনজন আহত হয়েছেন এবং এতে অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। খবর আনাদোলুর
বিবৃতিতে বলা হয়, জাজানের কিং আবদুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং নাজরান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের স্থাপনাগুলো হামলার শিকার হয়েছে। জরুরি সেবাদানকারী দল এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অনুমোদিত কার্যপদ্ধতি অনুযায়ী তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
হামলায় তিনজন সামান্য আহত হন এবং তাদের চিকিৎসার জন্য নেয়া হয় হাসপাতালে। এর পাশাপাশি সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির কথাও জানিয়েছে সৌদি আরব। বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সাথে মিলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং যাত্রী, কর্মী ও রাজ্যের বেসামরিক বিমান চলাচল ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে কাজ করছে। তবে কারা এই হামলা চালিয়েছে, তা উল্লেখ করা হয়নি বিবৃতিতে।
এদিকে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি সোমবার জানায়, তারা সৌদি আরবজুড়ে ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে জাজান ও নাজরানের সংবেদনশীল স্থাপনায় হামলা চালানো হয়। রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, আবহা বিমানবন্দর, রাবিঘে অবস্থিত আরামকোর একটি শোধনাগার এবং বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় হামলার কথাও উল্লেখ করেছে গোষ্ঠীটি।
সোমবার পৃথক বার্তায় সৌদি আরব বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনা লক্ষ্য করে চালানো হুতির হামলার নিন্দা জানিয়েছে এবং সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধির জন্য দায়ী করেছে গোষ্ঠীটিকে। সৌদি আরব ও হুতির মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনা তীব্র হওয়ার মধ্যেই এই হামলার ঘটনাগুলো ঘটল।
২০১৫ সালের মার্চ মাস থেকে সৌদি আরব ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সমর্থনে হুতির বিরুদ্ধে একটি সামরিক জোটের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে রাজধানী সানা এবং আরও কয়েকটি এলাকার নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে হুতি।



