Logo
Logo
×

আন্তর্জাতিক

আইএসপিআর প্রধান

সৌদি আরব রক্ষায় ‘যেকোনো কিছু’ করতে প্রস্তুত পাকিস্তান

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৬ পিএম

সৌদি আরব রক্ষায় ‘যেকোনো কিছু’ করতে প্রস্তুত পাকিস্তান

সৌদি আরবের সুরক্ষায় পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনী ‘যেকোনো পর্যায়ে’ যেতে প্রস্তুত বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। দেশটির সামরিক বাহিনীর প্রধান মুখপাত্র স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, রিয়াদের নিরাপত্তার প্রতি ইসলামাদের এই অঙ্গীকার সম্পূর্ণ ‘শর্তহীন’।

বৃহস্পতিবার আরবি সংবাদমাধ্যম ‘আরব নিউজ’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী বলেন, ‘পাকিস্তান কূটনৈতিক ও কৌশলগত—উভয় দিক থেকেই সৌদি আরবের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছে।’

মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়া যুদ্ধের ফলে বৈশ্বিক তেল সরবরাহে নতুন তৈরি হওয়া হুমকির মধ্যে সৌদি আরবে ইয়ামেনের হুথি বিদ্রোহীদের সাম্প্রতিক হামলার পটভূমিতে তিনি এসব কথা বলেন।

সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ জানিয়েছে, দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর তায়েফের আকাশে একটি ড্রোন ধ্বংস করার পর তার ধ্বংসাবশেষের আঘাতে এক ইয়ামেনি নাগরিক নিহত হয়েছেন। গত সপ্তাহে লড়াই তীব্র হওয়ার পর থেকে রিয়াদের ওপর পরপর চালানো হুথি হামলায় এটিই প্রথম কোনো নিহতের ঘটনা। এর আগে সৌদি কর্তৃপক্ষ এসব হামলায় ৮০ জনেরও বেশি আহত হওয়ার কথা জানিয়েছিল।

আইএসপিআর প্রধান পুনর্ব্যক্ত করেন, সৌদি আরবের প্রতি পাকিস্তানের যে প্রতিশ্রুতি, তার মধ্যে মক্কা ও মদিনার সুরক্ষাও অন্তর্ভুক্ত। তিনি বলেন, ‘আমরা সেখানে হারামাইন শরিফাইনের সুরক্ষার জন্য নিয়োজিত আছি।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘এ নিয়ে কোনো সন্দেহের অবকাশ থাকা উচিত নয়। সৌদি আরবের ওপর যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে পাকিস্তান তার প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান অব্যাহত রাখবে।’

লেফটেন্যান্ট জেনারেল চৌধুরী বলেন, সৌদি আরবের নিরাপত্তার প্রতি ইসলামাবাদের সমর্থন সম্পূর্ণ ‘শর্তহীন’। দুই দেশের মধ্যকার এই মেলবন্ধন অত্যন্ত আবেগপূর্ণ, গভীর, ঐতিহাসিক এবং অটুট।

আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং মধ্যপ্রাচ্যে পাকিস্তানের শান্তি প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে সামরিক বাহিনীর এই মুখপাত্র জানান, চলমান সংঘাতের একটি ‘আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধান’ খুঁজতে ইসলামাবাদ আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে সার্বিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালানোর পর মধ্যপ্রাচ্য সংকটে পাকিস্তান একটি প্রধান মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়।

ওই হামলার জবাবে তেহরান গল্ফ অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আক্রমণ চালায় এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। একই সময়ে হিজবুল্লাহ ইসরাইলে হামলা চালানো শুরু করে।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতা ও সহায়তায় দীর্ঘ আলোচনার পর জুন মাসে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ঐতিহাসিক ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ)’ স্বাক্ষরিত হয়।

আইএসপিআর প্রধান বলেন, সর্বসম্মতিক্রমে নেওয়া এই ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’ আঞ্চলিক চলমান সংকট থেকে উত্তরণের একমাত্র কার্যকর পথ হতে পারে।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন