Logo
Logo
×

আন্তর্জাতিক

পশ্চিমবঙ্গে ২৫২ মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৩ পিএম

পশ্চিমবঙ্গে ২৫২ মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ইসলামিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম খতিয়ে দেখার পর ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। পাশাপাশি প্রথম ধাপের এই যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় আরও ১০০টি মাদ্রাসাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। রোববার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, বন্ধের মুখোমুখি হওয়া ২৫২টি মাদ্রাসার অধিকাংশই কওমি ধারার। এর মধ্যে ৪৪টি মালদহ, ৩৭টি উত্তর দিনাজপুর, ৩২টি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা এবং নদীয়া ও মুর্শিদাবাদে ২৫টি করে মাদ্রাসা অবস্থিত।

রাজ্যের সংখ্যালঘুবিষয়ক মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, শোকজ করা মাদ্রাসাগুলোকে বৈধ অনুমোদনের কাগজপত্র দেখাতে হবে। কাগজ দেখাতে ব্যর্থ হলে সেগুলোও বন্ধ করে দেওয়া হবে।

এর আগে, গত জুনে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অনুমোদিত ও অননুমোদিত মাদ্রাসার সঠিক সংখ্যা নির্ধারণে রাজ্যজুড়ে সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেন।

সেই নির্দেশনার পর সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তর কলকাতা এবং বাকি ২২টি জেলাজুড়ে এক বিশেষ সমীক্ষা পরিচালনা করে। এতে মাদ্রাসাগুলোর পরিচালনা পর্ষদ, শিক্ষার্থী ভর্তি, আয়ের উৎস এবং নিবন্ধনের তথ্য পর্যালোচনা করা হয়।

মন্ত্রী টুডু বলেন, ‘‘প্রথম ধাপে ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া যেসব মাদ্রাসায় অপেক্ষাকৃত গুরুতর অনিয়ম ধরা পড়েছে, এমন আরও ১০০টি প্রতিষ্ঠানকে শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথিপত্র বা বৈধ অনুমোদন দেখাতে না পারলে সেগুলোও বন্ধ করে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’

‘‘বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে ২ হাজার ১৩২টি মাদ্রাসা সরকারি অনুমোদন নিয়ে চালু রয়েছে। অন্যদিকে অনুমোদনহীন মাদ্রাসার সংখ্যা ২ হাজার ৩৯৬টি।’’

মাদ্রাসাগুলোর বিরুদ্ধে নেওয়া এই পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে তীব্র তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় কট্টরপন্থী তৎপরতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত করে সরকারের এই পদক্ষেপকে সমর্থন জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমিক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, ‘‘মাদ্রাসা শিক্ষার সুযোগ নিয়ে যেকোনো দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড থামানো সরকারের দায়িত্ব। সরকার সেই কাজটিই করেছে।’’

বিজেপির জ্যেষ্ঠ নেত্রী ও রাজ্য সরকারের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পলও এই প্রশাসনিক পদক্ষেপকে যৌক্তিক বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, এ ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলো মূলত দেশবিরোধী শিক্ষা উসকে দিতো। বাংলাদেশের বিভিন্ন গোষ্ঠীর সদস্যরা এসব অনুমোদনহীন মাদ্রাসায় আশ্রয় নিতো। আমরা পুরো শিক্ষাব্যবস্থাকে একটি শৃঙ্খলায় নিয়ে আসতে চাই।

তবে এর বিরোধিতা করে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, মাদ্রাসা একটি শিক্ষাব্যবস্থা মাত্র এবং মাদ্রাসা শিক্ষার ওপর ঢালাওভাবে জঙ্গি তকমা দেওয়া একেবারেই অনুচিত।

সূত্র: এনডিটিভি।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন