Logo
Logo
×

আন্তর্জাতিক

জাতিসংঘে হঠাৎ মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-ফ্রান্স

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৭ এএম

জাতিসংঘে হঠাৎ মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-ফ্রান্স

জাতিসংঘে হঠাৎ করেই কূটনৈতিক উত্তেজনায় জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স। সংস্থাটির মানবাধিকারবিষয়ক সর্বোচ্চ কর্মকর্তার পুনর্নিয়োগের ভোটাভুটিকে কেন্দ্র করে মুখোমুখি অবস্থানে যায় দেশ দুটি। জাতিসংঘের ওই ভোটের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দুই দেশের কর্মকর্তারা একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা ও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন।

বার্তাসংস্থা আনাদোলু বলছে, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক শীর্ষ পদে ভোটকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের মধ্যে কূটনৈতিক বিরোধ প্রকাশ্যে রূপ নিয়েছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ভলকার তুর্ককে দ্বিতীয় মেয়াদে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার হিসেবে অনুমোদন দেয়ার পর এই বিতর্কের শুরু হয়।

এ ভোটে ১৪৪টি দেশ তার পক্ষে ভোট দেয় এবং ১৩টি দেশ ভোটদানে বিরত থাকে। ১০টি দেশ বিরুদ্ধে ভোট দেয়। তবে ওই ১০টি বিরোধী দেশের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছিল। একইসঙ্গে এ তালিকায় ইসরায়েল, রাশিয়া ও আর্জেন্টিনাও রয়েছে।

এর মধ্যেই জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের মিশন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি ভিডিও প্রকাশ করে। সেখানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেফ বার্টোস দাবি করেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার ব্যবস্থা ‘দশকের পর দশক ধরে বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে’ এবং ভলকার তুর্ক এটিকে ‘মৃত্যুশয্যায়’ নিয়ে গেছেন।

এর জবাবে জেনেভায় জাতিসংঘে ফ্রান্সের স্থায়ী মিশন এক্সে যুক্তরাষ্ট্রের ওই বক্তব্য শেয়ার করে ওয়াশিংটনের নৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলে। ফরাসি মিশন লিখেছে, ‘একসময় মানবাধিকারের আলোকবর্তিকা ছিল যুক্তরাষ্ট্র। এখন আর নয়।’

তারা আরও দাবি করে, যুক্তরাষ্ট্র এখন উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার মতো দেশের পাশে দাঁড়িয়েছে। ফরাসি মিশন আরও লিখেছে, ‘এখন বিশ্ব আর যুক্তরাষ্ট্রের কথা শোনে না।’

এর জবাবে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি মাইক ওয়াল্টজ ফ্রান্সের মন্তব্যকে ‘লজ্জাজনক’ বলে আখ্যা দেন।

তিনি অভিযোগ করেন, সবচেয়ে ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের প্রতি ফ্রান্স নমনীয় আচরণ করছে এবং একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইসরায়েলের মতো ‘স্বাধীন ও সার্বভৌম গণতান্ত্রিক দেশগুলোকে’ উপদেশ দিচ্ছে।

এরপর দুই পক্ষের বাকযুদ্ধ আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

মার্কিন কংগ্রেস সদস্য র‌্যান্ডি ফাইন ফ্রান্সের সামরিক ইতিহাস নিয়ে কটাক্ষ করে বলেন, ‘আপনাদের কি আবার কারও কাছে আত্মসমর্পণ করার আছে?’ ১৯৪০ সালে নাৎসি জার্মানির কাছে ফ্রান্সের আত্মসমর্পণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি এই মন্তব্য করেন।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন