Logo
Logo
×

আন্তর্জাতিক

ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষায় এস-৪০০ ট্রায়াম্ফের শক্তিশালী অবস্থান

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৫:১৫ পিএম

ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষায় এস-৪০০ ট্রায়াম্ফের শক্তিশালী অবস্থান

ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হয়ে উঠেছে রাশিয়ার তৈরি অত্যাধুনিক এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর সময় এর কার্যকারিতা বিশ্বমঞ্চে প্রমাণিত হয়েছে।

এই ব্যবস্থা প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরের শত্রুবিমান বা যেকোনো আকাশযানকে নিখুঁতভাবে ধ্বংস করতে সক্ষম। ইতোমধ্যে পাকিস্তানের একটি বড় বিমানকে ৩০০ কিলোমিটার দূরত্বে ভূপাতিত করার নজিরও গড়েছে। চতুর্থ এস-৪০০ স্কোয়াড্রন যুক্ত হওয়ার পর ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রতিরক্ষা কাভারেজ আরও সম্প্রসারিত হয়েছে।

এস-৪০০-এর মূল শক্তি এর উন্নত রাডার ব্যবস্থা ও বিভিন্ন পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের সমন্বয়ে নিহিত। ৯১এন৬ই ‘বিগ বার্ড’ রাডার ৬০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্য শনাক্ত করতে পারে, আর ৯২এন৬ই ‘গ্রেভ স্টোন’ রাডার একসঙ্গে ৩৬টি লক্ষ্যবস্তু লক করে ৭২টি ক্ষেপণাস্ত্র নির্দেশনা দিতে সক্ষম। এছাড়া ৯৬এল৬ই অল-অ্যালটিটিউড ডিটেক্টর রাডার পাহাড়ি অঞ্চল বা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে নিচু দিয়ে আসা ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করতে পারে।

ক্ষেপণাস্ত্র বহরে রয়েছে ৪০এন৬ই (৪০০ কিলোমিটার পাল্লা), ৪৮এন৬ই৩ (২৫০ কিলোমিটার পাল্লা), ৯এম৯৬ই২ (১২০ কিলোমিটার পাল্লা) এবং ৯এম৯৬ই (৪০ কিলোমিটার পাল্লা), যা বিভিন্ন ধরনের আকাশ হুমকি প্রতিহত করতে সক্ষম।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাশিয়া, চীন ও তুরস্কের পর ভারতের হাতে এস-৪০০ থাকার ফলে দক্ষিণ এশিয়ার সামরিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন এসেছে। পাকিস্তান ও চীনের সীমান্তে এটি ভারতের জন্য এক অভেদ্য ঢাল হিসেবে কাজ করছে। মার্কিন পেট্রিয়ট বা ইউরোপের স্যাম্প/টি এনজি-র তুলনায় এস-৪০০-এর নাগাল ও বহুমুখী প্রতিরক্ষা ক্ষমতা অনেক বেশি।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন