Logo
Logo
×

আন্তর্জাতিক

ধর্মঘটে অচল পর্তুগাল

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১১:২৭ এএম

ধর্মঘটে অচল পর্তুগাল

সরকারের প্রস্তাবিত নতুন শ্রম আইনের বিরুদ্ধে সাধারণ ধর্মঘটে অচল হয়ে পড়েছে পর্তুগাল। কর্মীদের অধিকার ক্ষুণ্ন করবে এমন অভিযোগে সরকারের প্রস্তাবিত শ্রম আইন বাতিলের দাবিতে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেয় শ্রমিক সংগঠন সিজিটিপি।

স্থানীয় সময় বুধবার (৩ জুন) হাসপাতাল ও ফায়ার সার্ভিসের মতো জরুরি পরিষেবা সীমিত পরিসরে চালু থাকলেও বন্ধ ছিল মেট্রোরেলসহ অনেক সরকারি কার্যক্রম। বাতিল করা হয় পাঁচ শতাধিক ফ্লাইট। খবর রয়টার্সের।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কর্মীদের অধিকার ক্ষুণ্ন করবে এমন অভিযোগে সরকারের প্রস্তাবিত শ্রম আইন বাতিলের দাবিতে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেয় শ্রমিক সংগঠন সিজিটিপি। বুধবার পর্তুগালের রাজধানী লিসবন থেকে কোনো দূরপাল্লার ট্রেন ছেড়ে যায়নি, আবার শহরেও কোনো ট্রেন প্রবেশ করেনি।

স্টেশনে এসে অনেক যাত্রী ট্রেন বাতিলের খবর পেয়ে ফিরে যান। ধর্মঘট সফল করতে স্টেশনগুলোতে সক্রিয় ছিলেন ইউনিয়নের সদস্যরা।

ধর্মঘটের কারণে মধ্যরাত থেকেই বন্ধ রাখা হয় মেট্রোরেল স্টেশনগুলোর প্রবেশপথ। সীমিত আকারে বাস চললেও, দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে যাত্রীদের। অনেক পর্তুগীজ কর্মী কাজে না গেলেও গণপরিবহণ সংকটের কারণে কাজে যেতে বাধ্য হওয়া অভিবাসী ও অন্যান্য কর্মীরা ভোগান্তিতে পড়েন।

ধর্মঘটে অংশ নেওয়া একজন বলেন, ‘আমি সরকারের প্রস্তাবিত শ্রম আইনকে সমর্থন করি না। তাই ধর্মঘটে অংশ নিয়েছি। আমি দেখছি অনেক তরুণও এই আইনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। সরকারকে অবশ্যই এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হবে।’

শুধু লিসবন নয়, দেশটির বিভিন্ন শহরে ধর্মঘটের প্রতি সমর্থন জানিয়ে কর্মবিরতি পালন করেন নার্স, চিকিৎসকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ। সিজিটিপির নেতারা বলছেন, শ্রমিকদের ব্যাপক অংশগ্রহণই প্রমাণ করে নতুন শ্রম আইন জনগণ মেনে নিতে প্রস্তুত নয়।

সিজিটিপির জেনারেল সেক্রেটারি তিয়াগো অলিভেইরা বলেন, ‘সিজিটিপি শ্রমজীবী মানুষকে তাদের দাবি আদায়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সম্মিলিত আন্দোলনের মাধ্যমেই এই অন্যায্য আইন বাতিল করতে সরকারকে বাধ্য করা সম্ভব। এত মানুষের দাবি সরকার উপেক্ষা করতে পারবে না।’

ধর্মঘটের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ে লিসবন বিমানবন্দরে। বাতিল করা হয় পাঁচ শতাধিক ফ্লাইট। নির্ধারিত দিনে ভ্রমণ করতে না পেরে চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। এছাড়া শিক্ষক ও শিক্ষা খাতের কর্মীরাও ধর্মঘটে অংশ নেওয়ায় দেশের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ ছিল।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন