
প্রিন্ট: ২৯ আগস্ট ২০২৫, ০৬:৩৩ পিএম
থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সংঘাতে নিহত ১৫, ব্যাপক বাস্তুচ্যুতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৫, ০২:৪৭ পিএম

ছবি : সংগৃহীত
দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে সীমান্ত সংঘাত আবারও তীব্র আকার ধারণ করেছে। বৃহস্পতিবার সংঘাতের প্রথম দিনেই থাইল্যান্ডে ১৫ জন নিহত এবং অন্তত ৪৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন থাই সেনাবাহিনীর ১৫ সদস্য।
থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংঘাতের কারণে সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বাড়ি ছেড়েছেন। কম্বোডিয়ার সীমান্ত ঘেঁষা থাই গ্রামগুলোয় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
বহু বছর ধরে বিরোধপূর্ণ এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল (পান্না ত্রিভূজ) অঞ্চল নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চললেও, গত ১৫ বছর যুদ্ধবিরতিতে ছিল তারা। তবে বুধবার থাই সেনা সদস্য স্থলমাইনে আহত হওয়ার পর পরদিনই থাইল্যান্ড তাদের যুদ্ধবিমান দিয়ে কম্বোডিয়ার দুই সেনা স্থাপনায় বিমান হামলা চালায়।
এর পাল্টা জবাবে কম্বোডিয়ার সেনাবাহিনী থাইল্যান্ডের সীমান্তবর্তী দুই প্রদেশে রকেট হামলা চালায়, যার ফলে হতাহত ও ব্যাপক বাস্তুচ্যুতির ঘটনা ঘটে।
ব্যাংককে এক সংবাদ সম্মেলনে থাইল্যান্ডের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী ফুমথাম ওয়েচায়াচাই বলেন, “আমরা সবসময় সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করেছি, কিন্তু সামরিক বাহিনীকে এখন পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, “সংঘাত এখনো সীমিত পর্যায়ে আছে, কিন্তু উত্তেজনা বাড়লে বড় ধরনের যুদ্ধ শুরু হতে পারে।”
কম্বোডিয়া থেকে সংঘাত সংক্রান্ত কোনো সরকারি তথ্য না এলেও সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। কম্বোডীয় গ্রাম সামরাওং-এর বাসিন্দা প্রো বাক জানান, “ভোর ৬টা থেকেই সীমান্তে গোলাগুলি চলছে। আমি আমার পরিবার নিয়ে গ্রাম ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, জানি না কবে ফিরে আসতে পারব।”