মাঠে প্রতিপক্ষের ফুটবলারের চুল টেনে লাল কার্ড দেখেছেন। ভিএআর যাচাই শেষে গোলও বাতিল হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদের। এরপর ক্লাবের সতীর্থ ও ভক্তদের কাছে নিজের কৃতকর্মের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ভিনিসিউস জুনিয়র।
শনিবার সান্তিয়াগো বার্নাবেউতে লা লিগার ম্যাচে ভিয়ারিয়ালকে ১-০ গোলে হারায় রিয়াল মাদ্রিদ। জয় নিয়ে মাঠ ছাড়লেও অস্বস্তি পিছু ছাড়ছে না মাদ্রিদ শিবিরে।
ম্যাচের ৫২ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন ২৫ বছর বয়সী ভিনিসিউস। এর ২০ মিনিটের মাথায় রিয়ালের হয়ে জালে বল পাঠিয়ে উল্লাসে মেতে ওঠেন তিনি। তবে ভিএআর-এ দেখা যায়, আক্রমণের শুরুতে ভিয়ারিয়ালের নাথান সালিবার চুল ধরে টেনেছিলেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা। ফলে গোল বাতিল করে তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুঃখ প্রকাশ করে ভিনিসিউস লেখেন, ‘দল ও সমর্থক—সবার কাছেই আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।’
লাল কার্ডের পর এখন বড় শাস্তির শঙ্কায় দিন গুনছেন রিয়ালের এই তারকা। ফুটবল বিষয়ক স্প্যানিশ স্পোর্টস ডিসিপ্লিনারি কমিটির রায়ের অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে তাকে। শাস্তি কঠিন হলে আগামী ২৫ অক্টোবর ন্যু ক্যাম্পে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার বিপক্ষে মহা-গুরুত্বপূর্ণ এল ক্লাসিকোতে তাকে মাঠের বাইরে বসে থাকতে হতে পারে।
স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের নিয়ম অনুযায়ী, মাঠে কাউকে আঘাত না করে কোনো সহিংস বা অসদাচরণ করলে শৃঙ্খলা বিধির ১৩০ নম্বর ধারা মেনে এক থেকে তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। চুল টেনে ধরাকে সরাসরি সহিংস আচরণ হিসেবে গণ্য করা হয়।
লা লিগায় রিয়ালের পরবর্তী তিন ম্যাচ সেভিয়া, বার্সেলোনা ও রেসিং সান্তান্দারের বিরুদ্ধে। তবে অন্য প্রতিপক্ষ যাই হোক না কেন, ক্লাসিকোর মতো মহারণে খেলতে না পারা হবে ভিনিসিউস ও রিয়াল মাদ্রিদের জন্য বড় ধাক্কা।



