পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলে অসামান্য সেবার স্বীকৃতিস্বরূপ শহীদ আফ্রিদিকে দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার ‘হিলাল-ই-ইমতিয়াজ’-এ ভূষিত করা হয়েছে। বুধবার আইওয়ান-ই-সদরে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারি তাকে এই সম্মাননা প্রদান করেন।
ক্রিকেটে তার অবদানের পাশাপাশি ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেটে তার ভূমিকা এবং ‘ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডস’-এ তার নেতৃত্বদানকেও এই পুরস্কারের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হয়েছে। বিশেষ করে ২০০৯ সালে পাকিস্তানের ঐতিহাসিক টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে সাবেক অধিনায়ক ও অলরাউন্ডার আফ্রিদির অনবদ্য ভূমিকার কথা অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে স্মরণ করা হয়।
৪৬ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি ক্রিকেটার পাকিস্তানের হয়ে তিন ফরম্যাটেই দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন। এক নজরে শহীদ আফ্রিদির বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার:
ওয়ানডে: ৩৯৮ ম্যাচে ৮০৬৪ রান (৬টি সেঞ্চুরি ও ৩৯টি হাফ-সেঞ্চুরি) এবং ৩৯৫টি উইকেট।
টি-টোয়েন্টি: ৯৯ ম্যাচে ১৪১৬ রান এবং ৯৮টি উইকেট।
ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট: তিনি পাকিস্তান সুপার লিগ, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ, আইপিএল এবং বিগ ব্যাশসহ বিশ্বের প্রায় সব বড় লিগে দাপটের সাথে খেলেছেন।
২০০৯ বিশ্বকাপের নায়ক: ২০০৯ সালের আইসিসি ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টি ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাকিস্তানের জয়ে মূল কারিগর ছিলেন আফ্রিদি। সেই ম্যাচে বল হাতে ১ উইকেট নেওয়ার পর ব্যাট হাতে ৪০ বলে ৫৪ রানের অপরাজিত এক ইনিংস খেলে দলকে শিরোপা এনে দিয়েছিলেন তিনি।



