মাওয়া ঘাটে খাবারের দামে পকেট ফাঁকা, অতিষ্ঠ দর্শনার্থীরা
আরাফাত হোসেন, মুন্সিগঞ্জ থেকে ফিরে
প্রকাশ: ০২ আগস্ট ২০২৬, ১২:০১ পিএম
মাওয়া ঘাটের হোটেলের রাতের চিত্র
পদ্মা সেতুকে কেন্দ্র করে মাওয়া ঘাটে প্রতিদিন হাজারো দর্শনার্থীর ঢল নামছে। তবে পর্যটকদের এই উপচে পড়া ভিড়কে পুঁজি করে ইলিশসহ বিভিন্ন খাবারের দাম আকাশচুম্বী রাখার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় হোটেল ও রেস্তোরাঁগুলোর বিরুদ্ধে। অতিরিক্ত মূল্যের কারণে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করছেন ঘুরতে আসা সাধারণ দর্শনার্থীরা।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, মাওয়া ঘাটের হোটেলগুলোতে একটি ছোট সাইজের ইলিশ মাছের পিস বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায়, যা স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ। এছাড়া ভাতের প্লেট ১২০ টাকা, ডাল ১২০ টাকা, পেঁয়াজ ভর্তা ১২০, সালাদ ২০০ টাকা, এক লিটার পানি ৫০ বেগুন ভাজা পিস ৩০ টাকাাহ বিভিন্ন পদের ভর্তা এবং অন্যান্য তরকারির দামও রাখা হচ্ছে কয়েকগুণ বেশি। অনেক রেস্তোরাঁয় খাবারের মূল্য তালিকা ঝুলানোর নিয়ম থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। ফলে বিল পরিশোধের সময় বিপাকে পড়ছেন ক্রেতারা।
ঢাকা থেকে পরিবার নিয়ে আসা এক দর্শনার্থী মেহেদী হাসান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "পদ্মাসেতু দেখতে এসে মাওয়া ঘাটের ইলিশ খাওয়ার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু এখানে এসে দেখি সবকিছুর দাম আকাশচুম্বী। একেকটা সাধারণ ভর্তা ১০০-২০০ টাকা রাখা হচ্ছে। এটা স্পষ্টত ডাকাতি।

মাওয়া ঘাটের নিউ স্বাদের ইলিশ হোটেলের ম্যানাজার যুগের চিন্তা 24কে জানান ঘাটে ইজারার টাকাসহ চাঁদা অনেক বেড়েছে, তাই খাবারের দাম আগের থেকে কিছুটা বাড়তি নেওয়া হচ্ছে। আরেক হোটেল মালিক যুগের চিন্তা 24 কে জানান ঘাটে আগের তুলনায় দোকানের খরচ দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, তাই সব খাবারের দামও বৃদ্ধি করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নিয়মিত ও কঠোর তদারকি না থাকায় সিন্ডিকেট করে পর্যটকদের পকেট কাটছে একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী। দর্শনার্থীদের দাবি, মাওয়া ঘাটের পর্যটন পরিবেশ বজায় রাখতে এবং খাবারের দাম নিয়ন্ত্রণে অবিলম্বে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা উচিত।



