গ্লোবাল হেলথ অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন আলহাজ্ব মো. সোহাগ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৪:১৩ পিএম
বাংলাদেশের কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও এগ্রো-ভিত্তিক শিল্পখাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্মানিত হয়েছেন মিম শরৎ গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব মো. সোহাগ। তিনি গ্লোবাল হেলথ সামিট ও গ্লোবাল হেলথ অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ “Excellence in Pharmaceutical Quality Assurance” ক্যাটাগরিতে বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।
আন্তর্জাতিক এ স্বীকৃতি দেশের বেসরকারি শিল্পখাত, বিশেষ করে কৃষিভিত্তিক ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈশ্বিক মানসম্পন্ন উৎপাদন, গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং আধুনিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মিম শরৎ গ্রুপ যে অবস্থানে পৌঁছেছে, এই পুরস্কার তারই প্রতিফলন।
মিম শরৎ গ্রুপ বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ এগ্রো-ভিত্তিক শিল্পগোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত। কৃষি উৎপাদন, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং লজিস্টিকস খাতে প্রতিষ্ঠানটির ব্যাপক কার্যক্রম রয়েছে। আলহাজ্ব মো. সোহাগের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি দেশের কৃষি অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে বলে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদানকারী সংস্থার প্রকাশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, আলহাজ্ব মো. সোহাগ তার ব্যবসায়িক দর্শনের কেন্দ্রে রেখেছেন গুণগত মান, উদ্ভাবন এবং টেকসই উন্নয়নকে। তিনি শুধু ব্যবসায়িক সম্প্রসারণ নয়, বরং জাতীয় অর্থনীতি ও সামাজিক উন্নয়নের সঙ্গে শিল্পের বিকাশকে সমন্বয় করার নীতিতে বিশ্বাসী। তার নেতৃত্বে মিম শরৎ গ্রুপ এমন একটি সমন্বিত ব্যবসায়িক মডেল গড়ে তুলেছে, যেখানে কৃষিপণ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে উন্নত খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বাজারজাতকরণ পর্যন্ত পুরো মূল্য শৃঙ্খল একই কাঠামোর মধ্যে পরিচালিত হয়।
শিল্প বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের সমন্বিত ব্যবস্থাপনা উৎপাদনের প্রতিটি ধাপে গুণগত মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি ব্যয় কমানো এবং ভোক্তাদের কাছে উন্নতমানের পণ্য পৌঁছে দিতে সহায়তা করে। এ কারণেই মিম শরৎ গ্রুপ দেশের দ্রুত বর্ধনশীল কৃষি ও খাদ্য শিল্পে একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।
আলহাজ্ব মো. সোহাগের নেতৃত্বের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং নৈতিক ব্যবসায়িক চর্চার প্রতি তার অঙ্গীকার। কর্মী, গ্রাহক, ব্যবসায়িক অংশীদার এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা ও সম্মানভিত্তিক সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে তিনি একটি আধুনিক করপোরেট সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন।
তিনি বিভিন্ন সময় তার বক্তব্যে পণ্যের গুণগত মান এবং গ্রাহক সন্তুষ্টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথা তুলে ধরেছেন। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখতে প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থা, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ধারাবাহিক উন্নয়নকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। সেই লক্ষ্যেই মিম শরৎ গ্রুপে আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজন, অপারেশনাল দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
শুধু ব্যবসায়িক সাফল্য নয়, সামাজিক দায়িত্ববোধকেও তিনি সমান গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, জাতীয় উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে একজন বড় নিয়োগদাতা ও অর্থনৈতিক অংশীদার হিসেবে মিম শরৎ গ্রুপের ভূমিকা রয়েছে। কৃষি রপ্তানির সক্ষমতা বৃদ্ধি, টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং দেশের খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পকে বৈশ্বিক বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তাদের মধ্যে আলহাজ্ব মো. সোহাগ একটি অনুকরণীয় উদাহরণ। দূরদর্শী নেতৃত্ব, গুণগত মানের প্রতি অঙ্গীকার এবং নৈতিক ব্যবসায়িক মূল্যবোধের সমন্বয়ে তিনি দেশের কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
গ্লোবাল হেলথ অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ প্রাপ্ত এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং বাংলাদেশের কৃষিভিত্তিক শিল্পখাতের ক্রমবর্ধমান সক্ষমতা ও বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতারও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।



