চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি একটি দলের প্রধান নেতা চালু করেছেন: রাশেদ খাঁন
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৮ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন বলেছেন, দেশের একটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা প্রকাশ্যে চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন। যদিও তিনি ওই নেতার নাম উল্লেখ করেননি এবং নেতিবাচক উদ্দেশ্যে এমন আচরণ করা হয় বলে তিনি মনে করেন না বলেও মন্তব্য করেছেন।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রাশেদ খাঁন লিখেছেন, সম্প্রতি গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী এক শিশুকে চুমু দেওয়ার অভিযোগ এবং তা ঘিরে সৃষ্ট আলোচনার পর অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। তবে কোনো ব্যক্তির কর্মকাণ্ডের জন্য পুরো মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থাকে দায়ী করা উচিত নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, মাদ্রাসার শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টরা এসব ঘটনার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন বলে তিনি আশা করেন।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন আরও বলেন, সন্তান প্রতিটি পরিবারের কাছে একটি পবিত্র আমানত। সেই আমানতের প্রতি কেউ কুদৃষ্টি দিলে বা অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ করলে অভিভাবকদের উদ্বিগ্ন ও ক্ষুব্ধ হওয়া স্বাভাবিক।
তিনি দাবি করেন, একজন রাজনৈতিক নেতার প্রকাশ্য আচরণ সমাজে প্রভাব ফেলতে পারে। তার ভাষায়, কেউ হয়তো ভালোবাসা বা স্নেহের প্রকাশ হিসেবে এমন আচরণ করেন, কিন্তু সেই আচরণে প্রভাবিত হয়ে অন্য কেউ একই ধরনের কাজ করলে বা অসৎ উদ্দেশ্যের লোকজন সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করলে তার নেতিবাচক পরিণতি দেখা দিতে পারে।
রাশেদ খাঁন বলেন, তিনি ওই নেতার উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন না। তবে বর্তমান সামাজিক বাস্তবতায় এ ধরনের আচরণ শিশু বা অন্য যেকোনো ব্যক্তির জন্য বিব্রতকর হতে পারে। টঙ্গীর ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট নেতাও বিষয়টি নিয়ে নতুনভাবে ভাববেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি টঙ্গীর একটি মাদ্রাসায় এক শিশুকে চুমু দেওয়ার অভিযোগে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে সমালোচনা শুরু হয়। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।



