যারা নারীদের ওপর আক্রমণ চালায় তারা কাপুরুষ। অভিনেত্রী ও মডেল আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনাটি একটি ঘৃণ্য ও ন্যক্কারজনক অপরাধ।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সামনে এসব কথা বলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
এ ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষকে সোচ্চার ও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
এর আগে ইতালিতে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় জাতীয় সংসদেও এ বিষয়ে আলোচনা হয়। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, একজন জুলাই যোদ্ধার ওপর হামলা মানে এই দেশের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার ওপর হামলা। হামলার ঘটনা তুলে ধরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে পার্কে হাঁটার সময় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মীরা কাপুরুষোচিত হামলা চালান। তিনি আজ সকালে পররাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন, উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। যাতে ইতালির পুলিশ কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হয় এবং বাঁধনকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেওয়া হয়।
হুমায়ুন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আজ বিকেলে তিনি বাঁধনের সঙ্গে কথা বলেছেন। এ বিষয়ে তাকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে। রোমে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং মিলানে বাংলাদেশের কনস্যুলেট জেনারেল বাঁধনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং তাকে প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সহায়তা ও সহযোগিতা দিচ্ছেন।
প্রতিমন্ত্রী সংসদকে আরও জানান, অভিনেত্রী বাঁধন পুলিশের কাছে ও দূতাবাসে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করবেন। বাংলাদেশ দূতাবাস বিষয়টি ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে অত্যন্ত জোরালোভাবে তুলে ধরবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকার এই সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে পিছপা হবে না।



