সংরক্ষিত মহিলা আসনে ১১-১২টি পেতে পারে জামায়াত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৩৬ পিএম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬৮টি আসনে জয় পাওয়ায় সংরক্ষিত ৫০টি মহিলা আসনের মধ্যে ১১ থেকে ১২টি আসন পেতে পারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সম্ভাব্য এসব আসনে কাদের মনোনয়ন দেওয়া হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়েও প্রাথমিক পর্যালোচনা চলছে।
দলীয় সূত্র জানায়, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান-এর স্ত্রী আমেনা বেগম সম্ভাব্য তালিকায় অগ্রাধিকার পেতে পারেন। তিনি আগে সংসদে জামায়াতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়া নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরের স্ত্রী হাবিবা রহমান এবং কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি মতিউর রহমান আকন্দের স্ত্রীও আলোচনায় রয়েছেন।
এছাড়া মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, কেন্দ্রীয় নেত্রী ফাতেমা আক্তার হ্যাপি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি আয়েশা সিদ্দিকা পারভীন, নেত্রী সাবেকুন্নাহার এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রভাষক মারদিয়া মমতাজের নামও শোনা যাচ্ছে।
দলীয় নেতারা জানিয়েছেন, যেসব এলাকা থেকে সরাসরি নির্বাচিত সংসদ সদস্য নেই, সেসব অঞ্চল থেকে যোগ্য নারীনেত্রীদের সংরক্ষিত আসনে প্রাধান্য দেওয়ার চিন্তা রয়েছে।
এ বিষয়ে নূরুন্নিসা সিদ্দীকা বলেন, সংরক্ষিত মহিলা আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের একটি তালিকা ইতোমধ্যে আমিরের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নির্বাহী পরিষদে আলোচনা হবে এবং সেখানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, প্রার্থী বাছাইয়ে সংগঠনের সক্রিয় ও যোগ্য নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, বিশেষ করে যেসব এলাকা থেকে দলীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হননি।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, দলীয় ফোরামে এখনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়নি। সংসদের অধিবেশন বসার পরপরই বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হবে।
তিনি আরও জানান, জুলাই সনদ অনুযায়ী সংরক্ষিত মহিলা আসন ১০০-তে উন্নীত হলে দলটির আসনসংখ্যা বেড়ে ২৪ হতে পারে। সে ক্ষেত্রে প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়াও ভিন্নভাবে এগোবে। আর যদি আসনসংখ্যা ৫০-ই থাকে, তাহলেও বিদ্যমান কাঠামোর মধ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।



