জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান দিবসে বিশেষ সম্মাননা পেল কোয়ান্টাম
যুগের চিন্তা ২৪ অনলাইন
প্রকাশ: ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:০৩ পিএম
স্বেচ্ছায় রক্তদান কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) রাজধানীর শাহবাগস্থ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের লেকচার হলে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস ২০২৬–এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনকে এ সম্মাননা দেয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এমপি। প্রধান অতিথির হাত থেকে কোয়ান্টামের পক্ষে সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন কো-অর্ডিনেটর মিসেস খাদিজা মাহতাব।
এসময় কোয়ান্টামের ৭১ বারের নিয়মিত রক্তদাতা শেখ মো. ফেরদৌস রুবেলকেও সম্মানিত 'উল্লেখযোগ্য রক্তদাতা' হিসেবে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রক্তদানের মাধ্যমে কোনো শারীরিক ক্ষতি হয় না—এ বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে হবে। এ জন্য পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সর্বস্তরে ব্যাপক প্রচার চালানো প্রয়োজন। তরুণ প্রজন্মকে স্বেচ্ছায় রক্তদানে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি এ মানবিক উদ্যোগ ছড়িয়ে দিতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, বিয়ের আগে বর-কনের রক্ত পরীক্ষা করে তারা থ্যালাসেমিয়ার বাহক কি না, তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি। এ বিষয়ে স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন পর্যায়ে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, রক্তদান একটি মহৎ মানবিক কাজ এবং পরকালের জন্য সদকায়ে জারিয়া। তাই মানুষের জীবন বাঁচাতে স্বেচ্ছায় রক্তদানের সংস্কৃতি গড়ে তোলা প্রয়োজন।
স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ এন এম মঈনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন অর রশীদ, মহাসচিব ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম শাকিল এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
‘রক্তদানে জীবনের জয়গান, চক্ষুদানে আলোর সন্ধান’ প্রতিপাদ্য নিয়ে অনুষ্ঠানটির সহযোগিতায় ছিল সন্ধানী কেন্দ্রীয় পরিষদ ও সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতি।



