বি টু বা ক্রিটিক্যালিটিতে যাওয়ার অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বায়রা এই অনুমতি দেবে। এই ধাপে প্রথমবারের মতো স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন বা পরমাণুর বিভাজন তৈরি করা হবে। অর্থাৎ, চুল্লিতে ধীরে ধীরে স্থায়ী ও নিরাপদভাবে শক্তি বা বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে। আগের সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা সফলভাবে শেষ হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভ্রাটে জনজীবনের ভোগান্তি কাটাতে সবার নজর এখন নির্মাণাধীন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দিকে। সবার প্রশ্ন, কবে আসবে এই বিদ্যুৎ?
আন্তর্জাতিক পারমাণবিক সংস্থা আইএইএ’র গাইডলাইন অনুযায়ী, রাশিয়ার সহযোগিতায় নির্মিত এই প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের স্টেজ বি ওয়ান মোটামুটি সফলভাবে শেষ হয়েছে। সবশেষ স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ভালভ পরীক্ষার জটিলতাও কেটে গেছে।
এরপরের ধাপ বি টু। এই ধাপে প্রাথমিক অপারেশনের জন্য পারমাণবিক চুল্লিকে প্রস্তুত করা হয়। এরপরই শুরু হয় ক্রিটিক্যালিটি। এটি এমন একটি পর্যায়, যেখানে স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন বা পরমাণুর বিভাজন তৈরি করা হয়। এর মাধ্যমে চুল্লিতে ধীরে ধীরে স্থায়ী ও নিরাপদভাবে শক্তি বা বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।
এখানে ধাপে ধাপে সফলভাবে এগিয়ে ৩০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত এলে বাণিজ্যিকভাবে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. কবির হোসেন বলেন, আমরা বায়রাকে দিয়েছি। বায়রার কাছ থেকে আমরা রিকোয়ার্ড পারমিট পাওয়ার পরে আমরা ফারদার প্রসিড করব। আর কি ভিউ কমপ্লিট না? এখন সব কমপ্লিট। এখন আর কিছুই নাই। সব আমরা বায়রাকে সাবমিট করছি। এখন বায়রার পারমিশন পেলে ইনশাআল্লাহ আমরা পরবর্তী স্টেজে যাব, যেটাকে বি টু বলে।
নথিপত্র দেখে ইতিবাচক বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ।
রূপপুর থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সংযোগ স্থাপনের জন্য আটটি সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হয়েছে। এসব লাইনের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে।
সূত্র: চ্যানেল ২৪



