মেট্রোরেল লাইন-১ ও লাইন-৫ নির্মাণে ৪৬ হাজার কোটি টাকার ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট উন্নয়ন প্রকল্পের লাইন-১ ও লাইন-৫-এর বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকার ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ–সংক্রান্ত আটটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
লাইন-১–এর চারটি এবং লাইন-৫-এর একটি প্যাকেজের পূর্তকাজের ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে। পাশাপাশি লাইন-১-এর আরও দুটি এবং লাইন-৫ উত্তর রুটের একটি প্যাকেজ অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
লাইন-১-এর সিপি-০৬ প্যাকেজে বাড্ডা থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত ৫.১৮২ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ পথ নির্মাণ হবে, যেখানে দুটি দীর্ঘ সুড়ঙ্গ ও তিনটি ভূগর্ভস্থ স্টেশন থাকবে। এ কাজে ব্যয় হবে ১১ হাজার ৫৯০ কোটি টাকা। একইভাবে সিপি-০৯ প্যাকেজে ট্র্যাক ও বৈদ্যুতিক সুবিধা স্থাপনে ব্যয় হবে ১১ হাজার ৬৫ কোটি টাকা। সিপি-১০ প্যাকেজে সংকেত ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনে ব্যয় হবে ৬ হাজার ৪৪৬ কোটি টাকা।
এ ছাড়া লাইন-১-এর সিপি-০২ প্যাকেজে ডিপো ওয়ার্কশপ ও অপারেশন ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় হবে ৪ হাজার ২৮৫ কোটি টাকা। লাইন-৫-এর সিপি-০৩ প্যাকেজে হেমায়েতপুর থেকে আমিনবাজার পর্যন্ত ৬.৫০ কিলোমিটার উড়ালপথ এবং পাঁচটি উড়ালস্টেশন নির্মাণে ব্যয় হবে ২ হাজার ৬৭১ কোটি টাকা।
লাইন-১-এর সিপি-০৪ ও সিপি-০৭ প্যাকেজে প্রধান লাইন ও স্টেশন নির্মাণে যথাক্রমে ১৮ হাজার ৩৭ কোটি টাকা এবং ২ হাজার ৫৩৪ কোটি টাকা ব্যয় হবে। লাইন-৫ উত্তর রুটের সিপি-০২ প্যাকেজে ডিপোর পূর্ত ও ভবন নির্মাণে ব্যয় হবে ১ হাজার ৮৪৮ কোটি টাকা।
প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন করছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। বাংলাদেশ সরকার ও জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) যৌথভাবে অর্থায়ন করছে। গত ১৬ সেপ্টেম্বর একনেকে প্রকল্পের প্রথম সংশোধিত প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। লাইন-১ বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর এবং নতুনবাজার থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত দুটি রুটে নির্মিত হচ্ছে, আর লাইন-৫ গাবতলী থেকে দাসেরকান্দি পর্যন্ত বিস্তৃত হবে।



