জাতীয় গ্রিডে বেড়েছে গ্যাসের সরবরাহ
যুগের চিন্তা ২৪ অনলাইন
প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৮ পিএম
কক্সবাজারের মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে কার্গো থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) স্থানান্তর কার্যক্রম শুরু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দেশের গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।
পেট্রোবাংলার পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মাইনস) প্রকৌশলী মো. শোয়েব বলেন, সকাল ৭টার পর থেকে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে। বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে ২ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুটের বেশি গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে এবং সরবরাহ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি জানান, শিল্পকারখানা ও আবাসিক উভয় খাতেই গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে। সাম্প্রতিক বৈরী আবহাওয়ার কারণে সাময়িকভাবে সরবরাহে বিঘ্ন দেখা দিলেও এখন পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২ হাজার ৩৪১ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে ১ হাজার ৬০৩ মিলিয়ন ঘনফুট এবং পুনর্গ্যাসীকৃত এলএনজি (আরএলএনজি) থেকে ৭৩৮ মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহ করা হয়।
পরে দুপুর ২টার দিকে জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাস সরবরাহ বেড়ে ২ হাজার ৫২৫ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছায়। এ সময় দেশীয় উৎস থেকে ১ হাজার ৬০৭ মিলিয়ন ঘনফুট এবং এলএনজি থেকে ৯১৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়।
পেট্রোবাংলা সূত্র জানায়, ইন্দোনেশিয়া থেকে স্পট মার্কেটের মাধ্যমে কেনা এলএনজিবাহী কার্গো থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে মহেশখালীর সামিট ভাসমান টার্মিনালে গ্যাস স্থানান্তর শুরু হয়। এর পর থেকেই জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়তে শুরু করে।
এর আগে বুধবার বৈরী আবহাওয়া ও সাগরের উত্তাল পরিস্থিতির কারণে এলএনজি খালাস কার্যক্রম ব্যাহত হয়। ফলে আরএলএনজি সরবরাহ কমে গিয়ে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের প্রবাহও স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় হ্রাস পায়।
পেট্রোবাংলা জানিয়েছিল, আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হলে এলএনজি স্থানান্তর কার্যক্রম স্বাভাবিক হবে এবং গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতিও দ্রুত স্থিতিশীল হয়ে উঠবে। বৃহস্পতিবারের সরবরাহ বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে সেই পূর্বাভাস বাস্তবায়িত হয়েছে।



