Logo
Logo
×

জাতীয়

বাংলাদেশ জে-১০সি কিনলে ভারত-আমেরিকার মাথাব্যথার কারণ দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০২:০১ পিএম

বাংলাদেশ জে-১০সি কিনলে ভারত-আমেরিকার মাথাব্যথার কারণ দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা

চীনের জে-১০ সি যুদ্ধবিমান। ছবি: সংগৃহীত

চীনের নির্মিত চতুর্থ প্রজন্মের বিমান জে-১০সি। এটি চেংডু এয়ারক্রাফট ইন্ডাস্ট্রি গ্রুপের তৈরি একটি সুপারসনিক বহুমুখী যুদ্ধবিমান। অতিরিক্ত পাখা আর ডেলটা আকৃতির ডানায় উচ্চগতিতে বাড়তি নিয়ন্ত্রণ জে-১০সি’র একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এই যুদ্ধবিমান কেনার আগ্রহ প্রকাশ করে ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার। এ বিষয়ে বেইজিংয়ে দুদেশের মধ্যে আলোচনা হয়। নির্বাচিত সরকারও সেই আলোচনা অব্যাহত রেখেছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান জানান, জে-১০সি কেনার পথে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও এআইইউবির ডিস্টিংগুইশড এক্সপার্ট এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) মাহমুদ হুসাইনের মতে, বাংলাদেশের জন্য জে-১০সি হতে পারে সেরা পছন্দ। সীমিত প্রতিরক্ষা বাজেটে মান ও কার্যকারিতা বিবেচনায় যুদ্ধবিমানটির জুড়ি নেই।

তিনি বলেন, ‘ইস্টার্ন ব্লকের এয়ারক্রাফটগুলো বর্তমানে ওয়েস্টার্ন ব্লকের এয়ারক্রাফটগুলোর মতোই সক্ষম। ভারত-পাকিস্তানের সাম্প্রতিক এয়ার ব্যাটলেও এর প্রমাণ পাওয়া গেছে। একটি যুদ্ধবিমান কেনার ক্ষেত্রে এর ট্রেনিং ফ্যাসিলিটিস, অপারেশনাল ক্যাপাবিলিটি এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কস্ট ইফেক্টিভনেস—এসবই আমাদের মতো দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সেই বিবেচনায় জে-১০সি আমার কাছে খুবই ভালো একটি পছন্দ। এটি বর্তমান প্রজন্মের একটি যুদ্ধবিমান। আরেকটি বিষয় হলো, বর্তমান প্রজন্মের ফাইটার এয়ারক্রাফটগুলোতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও বৈজ্ঞানিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়। বিশেষ করে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ক্ষেত্রে চীনের প্রযুক্তি এখন ওয়েস্টার্ন ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে তুলনীয়।’

তবে চীনের কাছ থেকে যুদ্ধবিমান কেনা নিয়ে ভারত কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের দুশ্চিন্তার কারণ দেখছেন না আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক অধ্যাপক সাহাব এনাম খান।

তিনি বলেন, ‘তুরস্ক ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও বিভিন্ন সামরিক আলোচনা চলছে। অতীতে রাশিয়ার কাছ থেকেও যুদ্ধ সরঞ্জাম কেনা হয়েছে। এবার টাইফুন ও রাফাল নিয়েও চিন্তাভাবনা করা হয়েছে। সুতরাং যে দেশ কস্ট ইফেক্টিভ সলিউশন দিতে পারবে, সেখান থেকেই কেনার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত।’

অধ্যাপক সাহাব এনাম খান আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের এমন সিদ্ধান্তে ভারতের কনসার্ন থাকাটা খুবই স্বাভাবিক। তবে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নিজস্ব ইন্টারেস্টকেই প্রাধান্য দেওয়া প্রয়োজন। একইভাবে, কিছু বিষয়ে স্বাভাবিকভাবেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনসিটিভিটি থাকতে পারে। সেসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়নকারী বা পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করতে পারেন।’

গেল বছর ভারত-পাকিস্তান সংঘাতে ফ্রান্সের তৈরি রাফাল ভূপাতিত হয়। বলা হয়ে থাকে, জে-১০সি ব্যবহার করেই ভারতের রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছিল পাকিস্তান।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন