পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
কলকাতায় নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ দ্রুততম সময়ে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৩৬ পিএম
কলকাতায় নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ দ্রুততম সময়ে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে
শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া ও সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে ভারতের কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ দ্রুততম সময়ে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এমনটা জানান তিনি।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, শনাক্তকরণ ও সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে দ্রুততম সময়ে মরদেহগুলো যেন বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে পারি, কলকাতার মিশন সেই কাজটি করছে। সেখানে হয়তো প্রবাসী কল্যাণের খুব একটা ভূমিকা নেই। কিন্তু এরপর দুর্ভাগ্যবশত যারা সেখানে মৃত্যুবরণ করেছেন, তাদের পরিবার যদি খরচ বহন করতে না পারে তাহলে অবশ্যই সরকার সেটি দেখবে।
এর আগে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) গভীর রাতে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৮ বাংলাদেশিসহ ৯ জনের প্রাণহানি ঘটে। ইতোমধ্যে নিহতদের মধ্যে পাঁচ বাংলাদেশি নাগরিকের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে।
তারা হলেন- কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আরুয়াপাড়ার বাসিন্দা ও আজকের পত্রিকার কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি দেবাশিস দত্ত (৩৭), তার স্ত্রী আফসানা শিম্মিন (২৫), তাদের তার শিশুসন্তান শর্ণশিষ দত্ত (২), দেবাশিসের শ্বশুর মো. আকরাম আলী (৬৪) এবং ঢাকার সাভারের বেগুনবাড়ি এলাকার আহমেদ বাবু। চিকিৎসার জন্য তারা কলকাতায় গিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।
এদিকে কলকাতার নিউ মার্কেটের হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শোক প্রকাশ করে সাবেক তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের প্রতি ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বছরের পর বছর ধরে শহরে অপরিকল্পিতভাবে পরিকাঠামো গড়ে তোলার সুযোগ কর দেয়া হয়। প্রয়োজনীয় অগ্নিনির্বাপক নিয়মকানুন এবং ন্যূনতম সুরক্ষা বিধি তোয়াক্কা না করেই বহুতল ভবনগুলোতে হোটেল ও অন্যান্য ব্যবসার অনুমতি দেয়া হয়েছিল।
অন্যদিকে কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হোটেলটিকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা পুরসভার কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে। সেই সঙ্গে শহরের প্রতিটি বাণিজ্যিক কাঠামোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে পৃথক পৃথক তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।



