বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় রদবদলের জোরালো আলোচনা
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৬, ০৩:২৩ পিএম
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পরপরই বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় রদবদলের আলোচনা তীব্র হয়েছে। সরকারের প্রথম ছয় মাস পূর্তির পর বেশ কয়েকজন মন্ত্রীর পারফরম্যান্স নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বিতর্কিত বক্তব্য ও ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ায় তাদের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সূত্র জানায়, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা নিজেদের অবস্থান টিকিয়ে রাখতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। অন্যদিকে নতুন মুখ যুক্ত হওয়ার আশায় অনেকেই সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা ও দলের জন্য ত্যাগের বিষয়গুলো সামনে এনে তারা মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়ার চেষ্টা করছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে সিনিয়র নেতাদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়েছেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করার আগে তিনি স্থায়ী কমিটির সদস্য, সংসদের হুইপ ও যুগ্ম মহাসচিবদের সঙ্গে পৃথকভাবে কথা বলেছেন। ফলে ধারণা করা হচ্ছে, মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের ক্ষেত্রেও তিনি পরামর্শ নিতে পারেন।
রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের মনোনয়ন নিশ্চিত হওয়ায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এখন শূন্য। গুঞ্জন রয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এ ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানির কাছে যেতে পারে বলে আলোচনা চলছে। তবে শহীদউদ্দীন চৌধুরী গণমাধ্যমে এ ধরনের খবরকে বিব্রতকর বলে মন্তব্য করেছেন।
মিত্র দলের নেতাদের মধ্যে বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন এবং নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমানের নাম মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও কয়েকজন হুইপকেও পূর্ণ মন্ত্রী করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন চলছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলসহ ‘বঞ্চিত’ নেতাদের নামও আলোচনায় রয়েছে। তারা মনে করছেন, এবার হয়তো তাদের মূল্যায়ন হতে পারে।



