সরকারি কোম্পানি মিল্কভিটা ব্রান্ডের পাস্তুরিত তরল দুধের দাম লিটারে ১০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। গত ৫ আগস্ট থেকে ভোক্তা পর্যায়ে কার্যকর বর্ধিত এ দামের কারণে, বাজারে এক লিটার দুধের দাম ১০০ টাকা থেকে বেড়ে এখন ১১০ টাকা হয়েছে।
মিল্কভিটার সভাপতি এস এম আমীর হামজা শাতিল বলেন, সার্বিকভাবে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বাড়তি এই মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেড মিল্কভিটার দুধ উৎপাদন করে। দুধ ও দুধজাত পণ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করাই এই প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য।
শাতিল বলেন, আমাদের লিটারে এক কেজি ৩০ গ্রাম থেকে ৫০ গ্রামের প্যাকেটজাত দুধের দাম ১০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। কারণটা হচ্ছে, আমাদের উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। আমাদের সমিতির সবার থেকে প্রেশার ছিল যে, অব্যাহতভাবে গ্যাস, গো-খাদ্য, বিদ্যুতসহ সর্বোপরি উৎপাদন কস্ট, এটা বেড়েছে।
মিল্কভিটার সভাপতি বলেন, সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, ইসরাইল যুদ্ধের কারণে মূল প্যাকেজিং ম্যাটেরিয়েলের দাম বেড়েছে। যুদ্ধের কারণে আমাদের যে মূল প্যাকেজিং ম্যাটেরিয়াল পলিফিল্মের দাম আগে কিনতাম ২৭৫-৮০ টাকা কেজি। এখন সেটা সাড়ে চারশো টাকা কেজি কিনতে হচ্ছে বিকজ অফ সাপ্লায়ার অপ্রতুলতা। ইভেন অনেক সময় আমরা পাচ্ছি না।
এ কারণেই মিল্কভিটার সব প্যাকেজিং ম্যাটেরিয়েল যেমন: কাপ, বোতল, আইসক্রিমের ক্যানসহ সব পণ্যের দাম দ্বিগুণ হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এছাড়া গ্যাসের দাম বৃদ্ধি ও অপ্রতুলতা উৎপাদন ব্যয়কে বাড়িয়ে দিয়েছে দাবি করেন শাতিল বলেন, গ্যাস পাই না, ঢাকা ডেইরিতে গত ৪৫ দিন ধরে গ্যাস নাই। এ কারণে আমাদের মার্কেট থেকে তিনগুণ দামে এলপিজি কিনতে হচ্ছে।
এছাড়া গো-খাদ্য ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে বলে জানান তিনি। এ কারণে ‘ওভারহেড কস্ট বেড়েছে’ বলে মন্তব্য করেন শাতিল।



