নদীদূষণ রোধে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৩৩ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, নদীদূষণ এখন দুর্বিষহ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, নদী দূষণ রোধে কঠোর ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে কোনো অবহেলার সুযোগ নেই। কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের পাশাপাশি এর বাস্তবায়নও নিশ্চিত করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বুড়িগঙ্গা নদীর পানি ও পরিবেশ উন্নয়ন শীর্ষক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশ দেন।
বৈঠকে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যা ও রাজধানীসংলগ্ন অন্যান্য নদীর দূষণ রোধে দ্রুত একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। শিল্পকারখানার অপরিশোধিত বর্জ্য নিঃসরণ, অপর্যাপ্ত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, খালগুলোর নাব্যতা হ্রাস এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতাকে নদীদূষণের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
সভায় শিল্পকারখানায় বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) কার্যকরভাবে পরিচালনা, খাল ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, দূষণকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান, পরিবেশ আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দেন, পরিবেশবাদী সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় জনগণকে এ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করতে হবে। বৈঠকে রাজধানীর চারপাশের নদীদূষণ রোধে একটি আন্তঃসংস্থা সমন্বয় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। এ কমিটি নিয়মিত অগ্রগতি পর্যালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রতিবেদন দাখিল করবে।
সভায় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, ঢাকা নৌ এলাকার কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আবদুল্লাহ-আল-মাকসুস, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ. বি. এম. আব্দুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



