কেন্দ্রীয় ঔষধাগার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কমিশন আদায় ও বিপুল সম্পদ গড়ার অভিযোগ
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬ আগস্ট ২০২৬, ০১:০৩ পিএম
কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএমএসডি) অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস অফিসার মো. আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে ঠিকাদারদের কাছ থেকে কমিশন আদায়, বিল আটকে রাখা এবং স্বল্প সময়ে বিপুল সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে। সরবরাহকারীদের দাবি, প্রতিটি বিল ছাড়ে তিনি ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন নেন।
সম্প্রতি একজন সরবরাহকারী দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, কমিশন না দিলে বিল দীর্ঘদিন আটকে রাখা হয়। এমনকি প্রতিবাদ করলে হুমকিও দেওয়া হয়। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, রাজধানীর মিরপুরে প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যয়ে স্ত্রীর নামে দুটি ফ্ল্যাট, পূর্বাচলে দুটি প্লট, ব্যাংকে প্রায় ৩ কোটি টাকার ডিপোজিট এবং কুড়িগ্রামে কোটি টাকা ব্যয়ে বাগানবাড়ি করেছেন তিনি। এছাড়া জেলা শহর ও গ্রামে প্রায় ৩০ বিঘা জমি কিনেছেন।
অভিযোগ রয়েছে, সম্প্রতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তার যোগসাজশে ৭৯ কোটি টাকার একটি ভুয়া বিল পাস করিয়ে তিনি নিজেই ৬ কোটি টাকা নিয়েছেন। এ অর্থে মিরপুরে ফ্ল্যাট ও পূর্বাচলে প্লট কেনা হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের আগস্টে প্রেষণে সিএমএসডিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে তিনি বিল আটকে রেখে শতকোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা হলেও তার দাপটে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তটস্থ।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. আব্দুর রাজ্জাক সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “চাকরিজীবনের শুরু থেকে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছি। আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।”



