৮২ লাখ টাকা চিকিৎসা ব্যয় নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন সাবেক ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৩:০৮ পিএম
অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে চিকিৎসা বাবদ ৮২ লাখ টাকা সরকারি অর্থ ব্যয়ের বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন সাবেক উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন। রোববার (২৮ জুন) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।
‘চিকিৎসা ব্যয় নিয়ে মিডিয়া ফ্রেমিং ও আমার ব্যাখ্যা’ শিরোনামে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, মন্ত্রীদের চিকিৎসা ব্যয় ১৯৭৩ সালের Ministers, Ministers of State and Deputy Ministers (Remuneration and Privilege) Act অনুযায়ী পরিচালিত হয়। এই আইনের আওতায় মন্ত্রিসভার সদস্যরা দেশ বা বিদেশে চিকিৎসার সম্পূর্ণ খরচ সরকারি কোষাগার থেকে পান।
তিনি জানান, বিদেশে চিকিৎসার ক্ষেত্রে মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশ, সরকারপ্রধানের অনুমোদন এবং চিকিৎসা শেষে বিল ও ভাউচার জমা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। তিনি নিজেও এ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছেন।
খালিদ হোসেন উল্লেখ করেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে জটিল হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন। দায়িত্ব পালনকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে বিদেশে চিকিৎসা নিতে হয়। থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসা বাবদ প্রথমে প্রায় ১৭ লাখ টাকা এবং পরে অপারেশনে প্রায় ৬৫ লাখ টাকা খরচ হয়। সব বিল ও ভাউচার যথাযথভাবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জমা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সরকার শুধুমাত্র হাসপাতালের বিল, অপারেশন খরচ ও ওষুধের ব্যয় বহন করেছে। তবে হোটেল, যাতায়াত ও সহযাত্রীর খরচ তিনি ব্যক্তিগতভাবে বহন করেছেন।
সাবেক উপদেষ্টা বলেন, “আমি দায়িত্ব পালনে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছি। সরকারি অর্থ আত্মসাৎ বা তসরুপ করিনি। আইন অনুযায়ী যতটুকু প্রাপ্য, তাও গ্রহণ করেছি সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে। কিছু মিডিয়া বিষয়টিকে বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপন করছে, যা জনমনে সন্দেহ তৈরি করছে।”



