টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণে গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১০:৫৪ পিএম
বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বর্তমান বিশ্বে ভোক্তারা শুধু পণ্যের গুণগত মান নয়, উৎপাদনের নৈতিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং পরিবেশগত প্রভাবও বিবেচনায় নিচ্ছেন।
মঙ্গলবার (৯ জুন) বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস উপলক্ষে সোমবার (৮ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস প্রতি বছর পণ্য ও সেবার নিরাপত্তা, গুণগত মান এবং আস্থার গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়। ইন্টারন্যাশনাল অ্যাক্রেডিটেশন ফোরাম (আইএএফ) এবং ইন্টারন্যাশনাল ল্যাবরেটরি অ্যাক্রেডিটেশন কো-অপারেশন (আইএলএসি) যৌথভাবে প্রতিবছর ৯ জুন দিবসটি পালন করে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে উদ্ভাবন, আস্থা ও টেকসই উন্নয়ন একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত। অর্থনৈতিক অগ্রগতির অন্যতম ভিত্তি হয়ে উঠেছে এই তিনটি বিষয়। এ প্রেক্ষাপটে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের (বিএবি) উদ্যোগে বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস উদযাপন সময়োপযোগী পদক্ষেপ।
তারেক রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখতে হলে উৎপাদন ব্যবস্থায় টেকসই ও আধুনিক পদ্ধতির বিকল্প নেই। অ্যাক্রেডিটেশন একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মান নিশ্চিতকরণ ব্যবস্থা, যা নির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতে পণ্য ও সেবার গুণগত মান যাচাই করে।
তিনি আরও বলেন, অ্যাক্রেডিটেশন শুধু একটি সনদ নয়; এটি দেশের শিল্প খাতকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখার কার্যকর হাতিয়ার। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের পণ্য ও সেবার গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ছে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড এ পর্যন্ত দেশে ১৬৮টি সরকারি, বেসরকারি ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানকে অ্যাক্রেডিটেশন সনদ দিয়েছে। বর্তমানে পাঁচটি ক্ষেত্রভিত্তিক স্কিমের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস দেশের মান অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে এবং উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।



