প্রতিবছর ৬ জুলাইকে পল্লী উন্নয়ন দিবস এবং ৭ নভেম্বরকে বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও গণসংহতি দিবস আগে পালন করা হতো, তবে গত ১৬ বছর তা বন্ধ ছিল। এবার আবারও দিবসটি ফিরিয়ে আনা হয়েছে এবং এদিন সরকারি ছুটি থাকবে। অন্যদিকে ৬ জুলাই থেকে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত হবে, তবে এদিন কোনো সরকারি ছুটি থাকবে না।
সোলার প্যানেল প্রসঙ্গে সচিব জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালে সোলার প্যানেল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তবে তা পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। সরকার এখন এ উদ্যোগকে কার্যকর করার চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে সোলার পাওয়ার দিয়ে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে এবং এ লক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোক্তারা কাজ করতে পারবেন।
জ্বালানি সংকট নিয়ে সচিব বলেন, সংকট মোকাবিলার চেষ্টা চলছে। তবে জ্বালানি খাতে ব্যবসায়িক মনোভাবের কারণে সমস্যার সমাধান জটিল হয়ে উঠছে।
এদিন সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী মো. আরিফুল হক চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানমসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।



