ছবি : সংগৃহীত
অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দাখিল করা চার্জশিট গ্রহণ করেছেন আদালত। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৮ মার্চ) ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে এ আদেশ দেন। আদালত পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে, বেনজীর আহমেদকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে কি না সে বিষয়ে প্রতিবেদন আগামী ৩০ মার্চের মধ্যে জমা দিতে হবে।
দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে গত বছরের ৩০ নভেম্বর তিনি চার্জশিট জমা দেন। এতে উল্লেখ করা হয়, বেনজীর আহমেদ তার সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকার স্থাবর এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য দেন। তবে তদন্তে তার নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি ১৫ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদের প্রমাণ পাওয়া যায়।
মোট ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সম্পদের মধ্যে বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে পাওয়া গেছে ৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। ব্যয় বাদে নিট সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। ফলে তিনি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত প্রায় ১১ কোটি টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন বলে চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, বেনজীর আহমেদ এসব অর্থের অবৈধ উৎস, প্রকৃতি ও মালিকানা গোপন করে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর ও রূপান্তর করেছেন।



