সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিতে গোয়েন্দা নজরদারি
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৯:০৩ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
অফিস সময়ে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকেরা ব্যক্তিগত ক্লিনিকে রোগী দেখছেন কিনা, তা নজরদারিতে গোয়েন্দা সহযোগিতা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে রোগীদের জন্য বরাদ্দ সরকারি বিনামূল্যের ওষুধ বাইরে বিক্রি বন্ধেও গোয়েন্দা সহায়তা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী বলেন, চিকিৎসকদের কর্মস্থলে উপস্থিতি ও সেবাদানের বিষয়টি তদারকিতে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি জানান, শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের জুনিয়র কনসালট্যান্ট রাজেশ মজুমদার অফিস সময়ে বেসরকারি ক্লিনিকে রোগী দেখায় তার বিএমডিসি নিবন্ধন ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি তাকে সাময়িক বরখাস্তের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় শরীয়তপুরের সিটি আধুনিক ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। তবে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রোগীরা ছাড়পত্র না পাওয়া পর্যন্ত সেখানে থাকতে পারবেন। প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্স বাতিলের বিষয়ে সাত দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, সরকারি ওষুধ বাইরে বিক্রি রোধে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে সরকারি বরাদ্দকৃত ওষুধে আলাদা চিহ্ন দেওয়া থাকে। গোয়েন্দা বিভাগ নজরদারি করবে এসব ওষুধ বাইরে বিক্রি হচ্ছে কিনা।
তিনি বলেন, হাসপাতালের দালালচক্র বন্ধ করে অল্প খরচে উন্নত সেবা দিতে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে রোগ শনাক্তে মেডিকেল পরীক্ষার ফি নির্ধারণে উদ্যোগ নেওয়া হবে। জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি ক্লিনিক মালিকদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।



