Logo
Logo
×

জাতীয়

কক্সবাজারে গ্যাস পাম্পে আগুন

আহত ও ক্ষতিগ্রস্থদের খবর নিলেন প্রধানমন্ত্রী

Icon

কক্সবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম

আহত ও ক্ষতিগ্রস্থদের খবর নিলেন প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজারের কলাতলীর এন আলম গ্যাস পাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের খোঁজ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে কক্সবাজার-৩ (সদর, রামু ও ঈদগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় মৎস্যজীবীবিষয়ক সম্পাদক লুৎফুর রহমান কাজলকে ফোন করে গ্যাসপাম্পে বিস্ফোরণ ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের বিষয়ে জানতে চান তিনি। 

এ সময় তিনি সংসদ সদস্যকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশনা দেন।

সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কলাতলীর বাইপাস সড়কে গ্যাসপাম্প এবং ভয়াবহ আগুনে দগ্ধ ও ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের সর্বশেষ অবস্থা জানতে চান। পাম্পে বিস্ফোরণ, আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের তৎপরতা, তদন্ত কমিটি গঠনসহ বিস্তারিত জানানোর পর প্রধানমন্ত্রী আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশনা দেন।

এর মধ্যে বুধবার আগুনের ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) কে প্রধান করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট (এডিএম) মো. শাহিদুল আলম।

তিনি জানান, বিশেষজ্ঞদল, বিস্ফোরণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন আলামত সংগ্রহ করে। এ বিষয় পুরোদমে কাজ চলছে। ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

এর মধ্যে শুক্রবার সরেজমিনে দেখা মিলে, আগুনের ঘটনায় পাম্পটির আশে-পাশে থাকা আলামত সরিয়ে নিয়েছে। যেখানে পিলার দিয়ে সীমানা প্রচীর নিমার্ণের চেষ্টা করছে। পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে পাম্পটি।

স্থানীয় লোকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বৃহস্পতিবার রাতে সকল আলামত অন্যত্রে সরিয়ে সংস্কারের কাজ করছে মালিক।

বিষয়টি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট (এডিএম) মো: শাহিদুল আলমকে অবহিত করলে তিনি জানান, সরিয়ে কোনো লাভ হবে না। এগুলো সংরক্ষণের জন্য লিখিতভাবে মালিককে জানানো হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে আলামতে তালিকা তৈরি হয়েছে। এর ব্যতয় হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এর আগে কক্সবাজারে বুধবার সন্ধ্যায় পাম্পের ট্যাংক থেকে গ্যাস নির্গত (লিকেজ) হয়ে আগুন ধরে যায়। পাম্পের কর্মচারীরা বালু ও পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং আবার আগুন ধরে যায়।

বিস্ফোরণের পর আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের ঘরবাড়িসহ নানা প্রতিষ্ঠানে। আগুনে ৩০টির মতো গাড়ি, ৪ টি বাড়িসহ নানা অবকাঠামো পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আগুনে দগ্ধ সহ আহত হন ১৫ জন। এর মধ্যে ৬ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিট ভর্তি  করা হয়।

এর মধ্যে চট্টগ্রামে একজন মৃত্যু হয়েছে বলে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা হলেও তার সত্যতা পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার বিকাল ৪ টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের প্রধান মোহাম্মদ এস খালেদ জানিয়েছেন, গ্যাস পাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কেউ মারা যাননি। যেখানে চিকিৎসাধিন ৬ জনের মধ্যে আবু তাহের ৯০ শতাংশ,  রহিম ৫০ শতাংশ,  সিরাজ ৪০ শতাংশ,  সাকিব ৩০ শতাংশ, মেহেদি আর মোতাহের ২০ শতাংশ করে দগ্ধ হয়েছে।

এদের মধ্যে প্রথম তিনজনকে আইইসিউতে পাঠানো হলে একজন রোগীকে স্বজনরা রিলিজ নিয়ে চলে অন্যত্রে নিয়ে গেছে। ওই রোগীর ব্যাপারে তিনি জানান না।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন