সার সংরক্ষণ ও বিতরণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে ফরিদপুর ও গাইবান্ধায় ১০ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন দুটি বাফার গুদাম নির্মাণ করা হচ্ছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৫ কোটি ৮০ লাখ টাকার বেশি।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমদ।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘সার সংরক্ষণ ও বিতরণের সুবিধার্থে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ৩৪টি বাফার গুদাম নির্মাণ (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় এই নির্মাণকাজ পরিচালিত হবে।
প্রকল্পের প্যাকেজ-২, লট-৩-এর অধীনে ফরিদপুরে ১০ হাজার মেট্রিক টনের একটি গোডাউন নির্মাণ করা হবে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৮ কোটি ৪৫ লাখ ২৮ হাজার ৩৯২ টাকা। এই কাজটি পেয়েছে যৌথভাবে মেসার্স এআইএল-এসসিএল (জেভি), অ্যারোনেস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড এবং সালাম কনস্ট্রাকশন লিমিটেড।
একই প্রকল্পের প্যাকেজ-৪, লট-৪-এর আওতায় গাইবান্ধায় সমপরিমাণ (১০ হাজার মেট্রিক টন) ধারণক্ষমতার আরেকটি গুদাম নির্মিত হবে। এতে ব্যয় হবে ৪৭ কোটি ৩৫ লাখ ৫৪ হাজার ৮৮৮ টাকা। এই নির্মাণকাজের দায়িত্ব পেয়েছে এস এস রহমান ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড।
উদ্যোক্তারা আশা করছেন, নতুন এই গুদামগুলো নির্মিত হলে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোতে সারের আপৎকালীন মজুদ নিশ্চিত হবে এবং কৃষকদের দোরগোড়ায় সঠিক সময়ে সার পৌঁছে দেওয়া সহজ হবে।



