নির্বাচন ও গণভোটে বৈধ অস্ত্র ব্যবহারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৩৬ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে বৈধ অস্ত্রের ব্যবহারে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সহিংসতা প্রতিরোধের অংশ হিসেবে লাইসেন্সধারী বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দিতে হবে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ঘোষিত তফসিল অনুসারে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। তবে রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের জন্য নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী বরাদ্দ বৈধ অস্ত্রের ক্ষেত্রে এই নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে না। মনোনয়নপত্র দাখিল ও গৃহীত প্রার্থীদের অনুমোদিত সশস্ত্র রিটেইনারদের ক্ষেত্রেও একই ছাড় থাকবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্দেশনা অমান্য করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দেশের সব পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।
একজন মন্ত্রণালয় কর্মকর্তা জানান, নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে অস্ত্র জমা ও বহনে নিষেধাজ্ঞা একটি নিয়মিত ও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে সহিংসতা ও ভয়ভীতির আশঙ্কা কমবে।
নির্বাচনী নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ভোটের পরিবেশ আরও শান্তিপূর্ণ রাখা সম্ভব হবে। তবে মাঠপর্যায়ে তদারকি ও নজরদারি জোরদার করার ওপরও তারা গুরুত্ব দিয়েছেন।



