যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি ও শুল্ক হ্রাসে অগ্রগতির কথা জানালেন খলিলুর রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:১১ পিএম
মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান। পাশাপাশি ইউএসটিআরের সহকারী ব্রেন্ডন লিঞ্চের সঙ্গেও তিনি একটি পৃথক বৈঠক করেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে ওয়াশিংটন ডিসিতে এসব বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে শুক্রবার সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বার্তায় জানিয়েছে।
সাক্ষাৎকালে ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাসে অর্জিত অগ্রগতির কথা রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ারকে অবহিত করেন। তিনি জানান, পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির আনুষ্ঠানিক বাস্তবায়নের আগেই বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে, যার ফলে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। একই সঙ্গে চুক্তির বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ড. রহমান বর্তমান ২০ শতাংশ পারস্পরিক শুল্ক কমানোর প্রস্তাব উত্থাপন করলে রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ার তা ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেন। এছাড়া মার্কিন কাঁচামাল ব্যবহার করে উৎপাদিত পোশাকের ওপর শুল্ক কমানো অথবা পুরোপুরি প্রত্যাহারের বিষয়ে দেওয়া প্রস্তাবটিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে সম্মত হন তিনি।
বৈঠকে উভয়পক্ষ পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি দ্রুত চূড়ান্ত ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অমীমাংসিত বিষয়গুলো দ্রুত সমাধানের বিষয়ে একমত পোষণ করে।
ড. খলিলুর রহমান আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের ফলে আগামী দিনে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে। সম্প্রতি মার্কিন ভিসা বন্ড কর্মসূচিতে বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রেক্ষাপটে তিনি বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ভ্রমণ সহজ করতে রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ারের সদিচ্ছাকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।
এ সময় বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের জন্য ডিএফসি তহবিল নিশ্চিত করার অনুরোধ জানালে রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
সাক্ষাৎকালে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।



