ইলিয়াস আলী গুম: জিয়াউল-সাইফের তদন্ত প্রতিবেদন ২৫ জানুয়ারি
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩০ পিএম
বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে গুমের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানসহ দুজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আরও তিন মাস সময় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার (২৫ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
এ মামলার অপর আসামি বিমানবাহিনীর উইং কমান্ডার সাইফুর রহমান সাইফ রোববার ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে কারাগার থেকে ভার্চুয়ালি হাজিরা দেন জিয়াউল আহসান।
শুনানিতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আরও তিন মাস সময় চেয়ে আবেদন করেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন। পরে আদালত আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। এ সময় প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, তাসমিরুল ইসলাম, শাইখ মাহদীসহ অন্য প্রসিকিউটররা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, গত ২৩ আগস্ট এ মামলায় সাইফুর রহমানের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন ট্রাইব্যুনাল-১। একই সঙ্গে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। ওইদিন তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করেছিলেন আদালত। এর আগে গত ৯ আগস্ট সাইফুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন একই ট্রাইব্যুনাল। জিয়াউল আহসানকে এর আগেই এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, জিয়াউল আহসান ও সাইফুর রহমানের বিরুদ্ধে তদন্ত সংস্থা একাধিক অভিযোগ পেয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করেছে প্রসিকিউশন। ইলিয়াস আলীকে গুমের ঘটনা ছাড়াও বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডে তাদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে তারা। তবে এসব অভিযোগ তদন্তাধীন।
উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল ঢাকার বনানী এলাকা থেকে নিখোঁজ হন বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী। তিনি সিলেট জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। সিলেট-২ আসন থেকে দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। তার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় দীর্ঘদিন ধরে গুমের অভিযোগ করে আসছে বিএনপি ও তার পরিবার।



