ছবি : সংগৃহীত
জুলাই আন্দোলনে লালবাগ থানায় আশরাফুল ওরফে ফাহিমকে হত্যাচেষ্টা মামলায় জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি শেষে আদালত তার রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
দুপুরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে প্রথমে হাজতখানায় রাখা হয়। পরে বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে এজলাসে তোলা হয়। শুনানির সময় আদালত প্রাঙ্গণে ভিড়ের কারণে নাজেহাল হন শিরীন শারমিন।
এর আগে লালবাগ জোনের কোতোয়ালি টিমের পুলিশ পরিদর্শক মোহসীন উদ্দীন তার দুই দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। তবে আদালত তা মঞ্জুর না করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
ডিবি জানায়, গ্রেপ্তারের আগে তিনি বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন এবং সর্বশেষ ধানমন্ডিতে এক আত্মীয়ের বাসা থেকে মঙ্গলবার ভোরে আটক করা হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই লালবাগের আজিমপুর বাসস্ট্যান্ডে আন্দোলনকারীদের উপর দেশি-বিদেশি অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়। এ সময় আশরাফুল ওরফে ফাহিম গুলিবিদ্ধ হন। পরে তিনি মামলা করেন যেখানে শেখ হাসিনাসহ ১৩০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, শিরীন শারমিনের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানকালীন হত্যা মামলাসহ মোট ছয়টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে তিনটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল হয়েছে, বাকিগুলো তদন্তাধীন।
উল্লেখ্য, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করেন শিরীন শারমিন। তিনি ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল থেকে টানা স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। ২০২৪ সালের ১৫ আগস্ট সংসদের ডেপুটি স্পিকার শামসুল হককেও গ্রেপ্তার করা হয়।



