Logo
Logo
×

সারাদেশ

সাজেকে পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর গুলিবর্ষণ, উদ্ধার ৩ হাজার পর্যটক

Icon

যুগের চিন্তা ২৪ অনলাইন

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২০ পিএম

সাজেকে পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর গুলিবর্ষণ, উদ্ধার ৩ হাজার পর্যটক

রাঙামাটির সাজেকে সড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে সাজেকের গঙ্গারাম বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সাজেকে আটকে পড়া প্রায় ৩ হাজার পর্যটককে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহায়তায় নিরাপদে খাগড়াছড়িতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) সশস্ত্র সদস্যরা স্থানীয় লোকজনকে মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করে গঙ্গারাম বাজার এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন। এর ফলে সাজেক-বাঘাইহাট সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং বিপুলসংখ্যক পর্যটক আটকা পড়েন।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। সকাল ১০টার দিকে অবরোধকারীরা পর্যটকবাহী যানবাহনের চলাচল বন্ধ করে দিলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে অবরোধকারীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও পর্যটকদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাহিনীর সদস্যরা লাঠিচার্জ করে অবরোধকারীদের ছত্রভঙ্গ করেন এবং পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করেন।

আইএসপিআরের দাবি, পরে বেলা ১১টার দিকে সশস্ত্র ব্যক্তিরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও পর্যটকদের লক্ষ্য করে আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষা ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর টহল দল পাল্টা গুলি চালালে হামলাকারীরা এলাকা ছেড়ে চলে যায়।

এরপর সেনাবাহিনী ও পুলিশের সমন্বিত তৎপরতায় সাজেকে অবস্থানরত প্রায় ২ হাজার ৯৩৩ জন পর্যটককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়।

আইএসপিআর জানায়, ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে অবরোধে অংশ নিতে বাধ্য করা এবং তাদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় চলমান নিরাপত্তা অভিযানের কারণে সশস্ত্র গোষ্ঠীর কিছু সদস্য পর্যটন এলাকাগুলোকে আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং পর্যটনশিল্পের জন্য ক্ষতিকর বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সেনাবাহিনী জানিয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে এবং স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বেসামরিক প্রশাসন ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন