Logo
Logo
×

সারাদেশ

চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর জাল করে টাকা উত্তোলনের অভিযোগ সচিবের বিরুদ্ধে

Icon

কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৮ এএম

চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর জাল করে টাকা উত্তোলনের অভিযোগ সচিবের বিরুদ্ধে

সচিব মো. মজিবুর রহমান

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার লেঙ্গুরা ইউনিয়ন পরিষদের তহবিল থেকে প্রায় ১৪ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে পরিষদের সচিব মো. মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে। চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর জাল করে ছয়টি চেকের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন এবং বিভিন্ন খাত থেকে আদায় করা অর্থ ব্যাংকে জমা না দেওয়ার অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন দিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান ভূঁইয়া।

চেয়ারম্যানের অভিযোগ, উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের ভ্যাট ও আয়কর বাবদ ৪ লাখ ৪৩ হাজার টাকা এবং সাধারণ তহবিলের ৩ লাখ ৭১ হাজার টাকা চেকের মাধ্যমে উত্তোলন করা হয়েছে। এ ছাড়া গত দুই মাসে বিভিন্ন খাত থেকে আদায় করা প্রায় ৬ লাখ ২৯ হাজার টাকা ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়া হয়নি। সব মিলিয়ে অভিযোগের পরিমাণ প্রায় ১৪ লাখ ৪৩ হাজার টাকা।

চেয়ারম্যান বলেন, প্রায় ২০ দিন আগে সোনালী ব্যাংকের কলমাকান্দা শাখা থেকে পরিষদের ব্যাংক হিসাবের বিবরণী সংগ্রহ করার পর বিষয়টি জানতে পারেন। তার দাবি, সচিব তার স্বাক্ষর জাল করে কয়েক দফায় টাকা উত্তোলন করেছেন। বিভিন্ন খাত থেকে আদায় করা অর্থ ব্যাংকে জমা দেওয়ার প্রমাণ হিসেবে সচিব যে স্লিপ দেখিয়েছেন, তাতেও ব্যাংক কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে।

চেয়ারম্যান আরও দাবি করেন, বিষয়টি জানতে চাইলে সচিব টাকা উত্তোলন ও ব্যাংকে অর্থ জমা না দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।

কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এন. এম. আব্দুল্লাহ আল-মামুন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর সচিবকে তলব করা হয়েছে। সচিব প্রাথমিকভাবে কিছু টাকা তাঁর কাছে রয়েছে বলে স্বীকার করেছেন। পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অভিযোগপত্র জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে সচিব মজিবুর রহমানের ব্যবহৃত দুটি মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। একটি নম্বর খোলা থাকলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। অন্য নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এদিকে সোনালী ব্যাংকের কলমাকান্দা শাখার ব্যবস্থাপক মো. মতিউর রহমান বলেন, ‘ব্যাংকে সংরক্ষিত নমুনা স্বাক্ষরের সঙ্গে চেকের স্বাক্ষর প্রায় ১০০ শতাংশ মিলে যাওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।’

জমার স্লিপে জালিয়াতির অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, সচিব ব্যাংকের নামে সিল তৈরি করে জমার স্লিপ প্রস্তুত করে চেয়ারম্যানকে দেখিয়েছেন। পরে ব্যাংক হিসাবের বিবরণী যাচাই করে বিষয়টি তারা বুঝতে পারেন।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন