ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তরুণ প্রার্থীর চমক: পরিবর্তনের আশায় গ্রামবাসী
মনোহরগঞ্জ (কুমিল্লা) প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতির মাঠে বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। প্রথাগত রাজনীতির বাইরে এসে জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে মেম্বার (ইউপি সদস্য) পদে প্রার্থী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন তরুণ উদ্যোক্তা ও সমাজসেবক ফখরুল ইসলাম। তার এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ এলাকার প্রবীণ ও নবীন—উভয় প্রজন্মের ভোটারদের মধ্যেই নতুন আশা ও উৎসাহের সঞ্চার করেছে।
স্থানীয় ৫ নং ঝলম দক্ষিণ ইউনিয়ন এর ৮ নম্বর ওয়ার্ড থেকে তরুণদের প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ফখরুল ইসলাম। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, পরিবেশ রক্ষা এবং যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখার মতো সামাজিক কাজে যুক্ত থাকায় এলাকায় তার একটি পরিচ্ছন্ন ও বিশ্বস্ত ভাবমূর্তি তৈরি হয়েছে নিজ এলাকায় মির্জাপুরে আয়োজিত এক পথ সভায় নিজের নির্বাচনী অঙ্গীকার ব্যক্ত করে ফখরুল ইসলাম বলেন, "রাজনীতি কেবল ক্ষমতার জন্য নয়, রাজনীতি হওয়া উচিত মানুষের সেবা করার মাধ্যম। আমি এই ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত ও ডিজিটাল মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। গ্রামের প্রতিটি পরিবার যেন তাদের প্রাপ্য সরকারি সাহায্য ও সেবা বিনা ভোগান্তিতে পায়, তা নিশ্চিত করাই আমার মূল লক্ষ্য।"
তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে রয়েছে:
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা: সরকারি যেকোনো ভাতা (বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী) ও সহায়তা সুবিধাভোগীদের কাছে শতভাগ স্বচ্ছতার সাথে পৌঁছে দেওয়া।
যুব উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান: তরুণদের কারিগরি শিক্ষায় উৎসাহিত করা এবং স্থানীয় পর্যায়ে নতুন আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করা।
অবকাঠামোগত উন্নয়ন: ওয়ার্ডের কাঁচা রাস্তা সংস্কার, পর্যাপ্ত রাস্তার আলোর ব্যবস্থা এবং পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতি।
মাদকমুক্ত সমাজ গঠন: তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলা ও গঠনমূলক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রেখে সমাজকে মাদকমুক্ত রাখা।
এলাকার ভোটার ছাত্রনেতা রবিউল হোসেন জানান, "আমরা এতদিন ধরে একই চেহারা ও একই ধরণের রাজনীতি দেখে আসছি। এবার যুবসমাজের প্রতিনিধি হিসেবে এই তরুণের সততা ও আগ্রহ দেখে আমরা আশাবাদী। নতুন চিন্তা ও তরুণ নেতৃত্বই পারে এলাকার উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে।"
নির্বাচনী ময়দানে হেভিওয়েট প্রার্থীদের পাশাপাশি এই তরুণ প্রার্থীর জোরালো উপস্থিতি নির্বাচনকে করে তুলেছে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। ভোটারদের একাংশের মতে, তরুণের সততা, কর্মস্পৃহা এবং নতুন ধারণার কারণে ভোটের সমীকরণে এক বড় ধরণের পরিবর্তন আসতে পারে।



