অভিজ্ঞ রাজনীতিক গোলাম মোহাম্মদ সিরাজকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চায় শেরপুর-ধুনটের মানুষ
শেরপুর (বগুড়া) প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৯ পিএম
গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ একজন অভিজ্ঞ ও প্রবীণ রাজনীতিক। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনের মানুষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত থেকে রাজনীতি করেছেন। ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে বগুড়া-৫ আসন থেকে বিজয়ী হয়েছেন।
সিরাজের পারিবারিক পরিচয়ও ঐতিহ্যবাহী। তাঁর দাদা ছিলেন জমিদার এবং তাঁর বাবা পাকিস্তান আমলের সংসদ সদস্য ছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর তিনি ঢাকায় ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে শেরপুরের তৎকালীন বিএনপি নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন।
১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে তিনি প্রথমবার বগুড়া-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনেও একই আসন থেকে বিজয়ী হয়ে তিনি সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেন। নির্বাচনী ইতিহাসেও ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে তাঁর বিজয়ের তথ্য পাওয়া যায়।
দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে তিনি আবারও জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রীয় পরিসরে ফিরে এসেছেন। ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৫ আসনে তিনি ২ লাখ ৪৮ হাজার ৮৪১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
একজন প্রবীণ ও অভিজ্ঞ রাজনীতিক হিসেবে তাঁর দীর্ঘ সংসদীয় অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক পরিচিতি এবং এলাকার মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা তাঁকে জাতীয় পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের জন্য আলোচনায় নিয়ে এসেছে—এমন প্রত্যাশা তাঁর সমর্থকদের মধ্যে রয়েছে।
তিনি ২০২৬ সালের নির্বাচনকে তাঁর শেষ নির্বাচন হিসেবে ঘোষণা করেছেন—এমন বক্তব্যও তাঁর রাজনৈতিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই বাস্তবতায় শেরপুর-ধুনটের মানুষের প্রত্যাশা, রাষ্ট্র পরিচালনায় অভিজ্ঞতা ও দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার মূল্যায়ন করে গোলাম মোহাম্মদ সিরাজকে মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হোক।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, সেখানে অভিজ্ঞ রাজনীতিকদের জ্ঞান, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও দীর্ঘদিনের মাঠপর্যায়ের সম্পৃক্ততা কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। তাই শেরপুর-ধুনটের মানুষের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে বিনীত আবেদন—গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সংসদীয় ভূমিকা বিবেচনা করে তাঁকে মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়ার বিষয়টি সদয়ভাবে বিবেচনা করুন।
এটি শুধু একজন ব্যক্তির প্রতি প্রত্যাশা নয়; বরং দীর্ঘদিনের একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিকের অভিজ্ঞতাকে রাষ্ট্র পরিচালনায় কাজে লাগানোর একটি প্রত্যাশা। শেরপুর-ধুনটের মানুষ বিশ্বাস করে, তাঁর অভিজ্ঞতা জাতীয় উন্নয়ন ও এলাকার মানুষের কল্যাণে আরও বৃহত্তর পরিসরে কাজে লাগানোর সুযোগ সৃষ্টি হলে তা তাঁদের জন্যও গর্বের বিষয় হবে।



