খানাখন্দে আটকে দুই ট্রাক, মির্জাপুর-রাণীরহাট সড়কে তীব্র যানজট
শেরপুর (বগুড়া) প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৮ পিএম
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের মির্জাপুর-রাণীরহাট সড়কের খানাখন্দে পণ্যবাহী দুটি ট্রাক আটকে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে দীর্ঘ সময় যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন ওই সড়কে চলাচলকারী হাজারো মানুষ।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টার দিকে মির্জাপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই এসব গর্তে পানি জমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।
বুধবার সকালে পণ্যবাহী দুটি ট্রাক সড়কের বড় বড় খানাখন্দে পড়ে আটকে যায়। এতে সড়কের উভয় পাশে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। একপর্যায়ে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে অ্যাম্বুলেন্স, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, পণ্যবাহী যানবাহনসহ অসংখ্য যান আটকা পড়ে। চরম দুর্ভোগে পড়েন চালক, যাত্রী ও পথচারীরা।
স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, “সড়কটির অবস্থা বেশ কিছুদিন ধরেই ভয়াবহ। ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছিল। আজ দুটি ট্রাক খানাখন্দে আটকে পুরো রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে। জরুরি প্রয়োজনে মানুষ চলাচল করতে পারছে না।”
দুর্ভোগে পড়া চালক ও যাত্রীরা জানান, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি এখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই গর্তে পানি জমে যায়। এতে গর্তের গভীরতা বোঝা যায় না এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়ে যায়। সড়কটি সংস্কারের জন্য প্রশাসনকে একাধিকবার জানানো হলেও কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।
এ বিষয়ে শেরপুর উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল মজিদ বলেন, “চাতালসহ বিভিন্ন স্থান থেকে পানি রাস্তার ওপর দেওয়ার কারণে সড়কটি দ্রুত নষ্ট হয়েছে। তবে এক সপ্তাহের মধ্যে সংস্কারের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”
শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান হিমু বলেন, “আটকে থাকা ট্রাক দুটি সরিয়ে সড়কটি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি সড়কটির জরুরি সংস্কারের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
স্থানীয়দের দাবি, শুধু সাময়িক সংস্কার নয়, সড়কটির স্থায়ী ও টেকসই সংস্কার করে দ্রুত যান চলাচলের উপযোগী করা হলে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবেন এ অঞ্চলের মানুষ।



