প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গাছ লাগিয়ে সবুজ বাংলাদেশের বার্তা যুব অধিকার পরিষদের
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০২ পিএম
সবাই মিলে গড়বো দেশ, তারুণ্যের বাংলাদেশ- এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী জেলা শহরের জেলা পরিষদ কার্যালয়, বৌলাই বাইপাস মোড় এবং চৌদ্দশত বাইপাস সড়কের বিভিন্ন স্থানে এ কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটির কিশোরগঞ্জ জেলা শাখা।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিকতা শুধু আলোচনা সভা কিংবা সাংগঠনিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না রেখে পরিবেশ রক্ষায় গাছ লাগানোর উদ্যোগকে সামনে আনেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। কর্মসূচিতে বকুল ফুল ও ল্যান্টানা প্রজাতির বিভিন্ন গাছের চারা রোপণ করা হয়।
বৃক্ষরোপণকালে নেতারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব দিন দিন প্রকৃতি ও মানুষের জীবনযাত্রাকে প্রভাবিত করছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ ও গাছের পরিচর্যা এখন সময়ের দাবি। তাই সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর পাশাপাশি ব্যক্তি পর্যায়েও পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখা প্রয়োজন।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আকন্দ মো. উজ্জ্বল, সাধারণ সম্পাদক অভি চৌধুরী, যুব অধিকার পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মো. সোহাগ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ রমজান, যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো. ইব্রাহিম মিয়া এবং করিমগঞ্জ উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আইয়ুবীসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
যুব অধিকার পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ রমজান বলেন, “ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা শাখার উদ্যোগে জেলা পরিষদ কার্যালয়, চৌদ্দশত বাইপাস ও বৌলাই মোড়ে বকুল ও ল্যান্টানা গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। গাছ লাগানো ও পরিচর্যার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুন্দর ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।”
গণঅধিকার পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আকন্দ মো. উজ্জ্বল বলেন, “গাছ আমাদের বন্ধু। পরিবেশের বিপর্যয় রোধে গাছ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। যুব অধিকার পরিষদ তারুণ্য ও সমৃদ্ধির রাজনীতির পাশাপাশি পরিবেশ ও জলবায়ুকে সুন্দর রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছে। এ কারণেই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে বৃক্ষরোপণকে বেছে নেওয়া হয়েছে।”
সংগঠনের নেতারা বলেন, একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, এটি মানুষের জীবন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই কোনো বিশেষ দিবস বা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মধ্যে বৃক্ষরোপণ সীমাবদ্ধ না রেখে সারা বছর গাছ লাগানো ও গাছের পরিচর্যায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
তাদের প্রত্যাশা, ব্যক্তি ও সামাজিক উদ্যোগে ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ করা গেলে কিশোরগঞ্জসহ সারাদেশে সবুজায়ন বাড়বে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও সুন্দর, নির্মল ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে উঠবে।



