Logo
Logo
×

সারাদেশ

চাঁদা না দেওয়ায় হৃদয়কে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনের যাবজ্জীবন

Icon

বগুড়া প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ০৪:২০ পিএম

চাঁদা না দেওয়ায় হৃদয়কে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনের যাবজ্জীবন

চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল রাগিবুল হাসান হৃদয়কে। ছেলেকে বাঁচাতে এগিয়ে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছিলেন তাঁর বাবা মামুনুর রশিদও। সেই হত্যা মামলায় দুজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-৫-এর বিচারক কৌশিক আহমেদ খোন্দকার আলোচিত এ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন সাদ্দাম হোসেন স্বাধীন ও মো. রাব্বি। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন আশিক, শাকিল ও মতিন। একই সঙ্গে পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

রায়ের আদেশে জরিমানার অর্থের অর্ধেক নিহত হৃদয়ের সন্তানকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বাকি অর্ধেক রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে বলা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২০ জুলাই সন্ধ্যার দিকে বগুড়া মহানগরের কৈপাড়া পুকুরপাড় এলাকায় হৃদয়দের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চাঁদা দাবি করেন আসামিরা। চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁরা দোকানের ভেতরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হৃদয়কে কুপিয়ে আহত করেন।

এ সময় ছেলেকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে হৃদয়ের বাবা মামুনুর রশিদকেও কুপিয়ে আহত করা হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদয়ের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় হৃদয়ের মা আয়েশা সিদ্দিকা বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। তদন্ত ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত আজ পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মাসুদার রহমান বলেন, চাঁদা না পেয়ে আসামিরা হৃদয়কে নৃশংসভাবে হত্যা করেন। মামলার তদন্ত শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত পাঁচ আসামিকে দণ্ড দিয়েছেন। তিনি দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানান।

রায় ঘোষণার পর সন্তোষ প্রকাশ করেন হৃদয়ের বাবা-মা। কান্নাজড়িত কণ্ঠে হৃদয়ের মা আয়েশা সিদ্দিকা বলেন, তাঁর একমাত্র ছেলে কোরআনের হাফেজ ছিলেন। ঈদের আগের দিন তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়। পরে ঈদের দিন তাঁর ছেলে মারা যান। আর ঈদের পরদিন তাঁর পুত্রবধূ সন্তান প্রসব করেন।

আয়েশা সিদ্দিকা বলেন, ‘আল্লাহর কাছে শুকরিয়া। আমরা রায়ে সন্তুষ্ট। দ্রুত এই রায় কার্যকর হোক।’

হৃদয়ের বাবা মামুনুর রশিদও কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, তিনি আদালতের রায়ে সন্তুষ্ট।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন