Logo
Logo
×

সারাদেশ

কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৫৮ পিএম

কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা

নেত্রকোণায় আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা করা হয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে নেত্রকোণা মডেল থানায় মামলাটি করেন। মামলায় একমাত্র আসামি করা হয়েছে রিপন মিয়াকে।

বুধবার ( ৫ আগস্ট) দুপুরে মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নেত্রকোণা মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের। 

তিনি জানান, মঙ্গলবার রাতে মেয়ের বাবা বাদী হয়ে রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মামলায় আসামি একজন। এছাড়া সেই সালিশ বৈঠকে কারা কারা ছিল, তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। সালিশে কী আলোচনা হয়েছে, তা যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে নেত্রকোণা সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বিশিউড়া গ্রামে রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে এক কিশোরীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ ওঠে। স্থানীয়রা তাকে আটক করার পর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে সেই সালিশের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সালিশে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শেষে কিশোরীর ভবিষ্যৎ ও বিয়ের খরচ বাবদ রিপন মিয়াকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা অথবা বসতভিটার জায়গা বাজেয়াপ্ত করার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাকে সাত দিনের মধ্যে গ্রাম ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

সালিশে উপস্থিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মাতব্বর দাবি করেন, কিশোরীর সঙ্গে রিপনের অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় এবং তিনি তা স্বীকার করায় গ্রামবাসীর সম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এটি কোনো আইনি শাস্তি নয়, বরং সামাজিকভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির একটি উদ্যোগ ছিল বলেও জানান তিনি।

এদিকে স্থানীয়দের একটি অংশের অভিযোগ, রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক নারীকে নিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও যৌন হয়রানির অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারটি দরিদ্র হওয়ায় তারা প্রথমে আইনি পথে না গিয়ে স্থানীয়ভাবে বিচার চেয়েছিল।

অন্যদিকে সব অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন রিপন মিয়ার স্ত্রী। তার দাবি, তার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে। একটি গাছের নিচে মেয়েটির সঙ্গে অল্প সময় কথা বলাকে কেন্দ্র করে তাকে অন্যায়ভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, ডাক্তারি পরীক্ষা এবং ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানান তিনি।

পুলিশ জানিয়েছে, দায়ের করা ধর্ষণ মামলার তদন্তের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সেই সালিশ বৈঠকের বিষয়টিও গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন