কক্সবাজারে অস্ট্রেলিয়ান সরকারের সহায়তায় আইআরসির ও স্থানীয় এনজিওদের ৩ বছরের উদ্যোগের যাত্রা
কক্সবাজার প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৬ পিএম
কক্সবাজারে রোহিঙ্গা এবং ঝুঁকিতে থাকা স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা কেন্দ্রিক মানবিক সহায়তার জন্য আইআরসি ও স্থানীয় এনজিওগুলোর নেতৃত্বে নতুন উদ্যোগ শুরু হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ডিপার্টমেন্ট অফ ফরেন এ্যাফেয়ার্স এন্ড ট্রেডের সহায়তায় আগামী ৩ বছর এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হবে।
বুধবার (২৮ জুলাই) কক্সবাজারের একটি হোটেলে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই উদ্যোগের যাত্রা শুরু হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, “ বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অর্ধেকের বেশি শিশু এবং তাদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করাকে আমরা এড়িয়ে যেতে পারি না। কারণ, শিক্ষার মাধ্যমে যদি আমরা রোহিঙ্গা শিশু-তরুণদের দক্ষ করে তুলতে না পারি এবং ভবিষ্যতের আশা দিতে না পারি, তাহলে তার নেতিবাচক প্রভাব বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো এড়িয়ে যেতে পারবে না”।
শরণার্থী কমিশনার বলেন, এ সংকটের নয় বছর পার হলেও একজন রোহিঙ্গাকেও মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন করা যায়নি, তাই এ সংকটকে মোকাবেলায় এবং রোহিঙ্গাদের আশা দিতে আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর আরও বেশি বাংলাদেশের সাথে কাজ করা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন-বাংলাদেশের ফাস্ট সেক্রেটারি নিক ম্যাকলিন বলেন, “রোহিঙ্গা হিউম্যানিটেরিয়ান রেসপন্স এর নেতৃত্বকে স্থানীয়করণে অস্ট্রেলিয়া সরকার উৎসাহিত করে আসছে এবং সামনের দিনগুলোতে স্থানীয় সংগঠনগুলোর নেতৃত্বে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বরাদ্দ আরও বাড়ানোর বিবেচনা করছে অস্ট্রেলিয়া সরকার।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আইআরসি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর মোহাম্মদ রিয়াজ। রোহিঙ্গা কো-অর্ডিনেশন প্লাটফর্মের প্রিন্সিপাল কো-অর্ডিনেটর সহ রোহিঙ্গা রেসপন্সে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি এবং ক্যাম্পের সিআইসিবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।



