Logo
Logo
×

সারাদেশ

কুড়িগ্রামে পানি কমতেই তীব্র নদীভাঙন, হুমকিতে ৪৪৮ কোটি টাকার বাঁধ

Icon

কুড়িগ্রাম প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:০১ পিএম

কুড়িগ্রামে পানি কমতেই তীব্র নদীভাঙন, হুমকিতে ৪৪৮ কোটি টাকার বাঁধ

কুড়িগ্রামের নদ-নদীতে পানি কমতে শুরু করলেও কমেনি নদীভাঙনের তীব্রতা। বরং পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে জেলার বিভিন্ন নদীতীরবর্তী এলাকায় ভাঙন পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। জেলার ৪২টি ভাঙনকবলিত পয়েন্টে পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

বুধবার (২২ জুলাই) বিকেল ৩টার পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ধরলা নদীর কুড়িগ্রাম পয়েন্টে পানি ৪ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৫৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। দুধকুমার নদীর পাটেশ্বরী পয়েন্টে পানি ৪ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। ব্রহ্মপুত্র নদের চিলমারী পয়েন্টে পানি স্থির থেকে বিপৎসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে পানি ১৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে।

এদিকে, জেলার চিলমারী উপজেলার ডানতীর রক্ষা প্রকল্পে গত ১৫ দিনে দুই দফায় ধস নেমেছে। এতে ৪৪৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাঁধটি নতুন করে হুমকির মুখে পড়েছে। বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় রাত জেগে পাহারা দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে তীব্র স্রোত ও ভাঙনে বাঁধের বিভিন্ন অংশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে বাঁধের বড় অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, “জেলার ৪২টি ভাঙন পয়েন্টে আমাদের নজরদারি ও জরুরি প্রতিরোধমূলক কাজ চলমান রয়েছে। চিলমারীর ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের ঝুঁকিপূর্ণ অংশেও পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজন কাজ করছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, যাতে বাঁধটি রক্ষা করা যায়।”

পানি কমলেও ভাঙন অব্যাহত থাকায় নদীতীরবর্তী মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। দ্রুত স্থায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভাঙনকবলিত এলাকার বাসিন্দারা।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন